যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরানে মধ্যস্থতা করছেন
বিশেষ আলোচনা ও সম্পর্ক গুরুত্ব
য ক তর ষ ট র ইর – যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থায়ী শান্তি আলোচনা এখনও সম্পন্ন হয়নি। সেই বিশেষ আলোচনার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি তেহরানে গেছেন। তাঁকে আসতে ইরান সরকার গৃহীত হয়েছে এবং তেহরানে স্বাগত জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের ভূমিকা ও প্রস্তাব
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তাদের সংঘাত দূর করার জন্য মধ্যস্থতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই মিশনের তেহরানে প্রথম পর্যায়ে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে নাকভি এখন বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনা করছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত শুক্রবার ঘোষণা করেছিলেন যে ওয়াশিংটন ইরানের প্রস্তাব গ্রহণ করার প্রতি আগ্রহী। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া কয়েকটি বৈঠক সুফল ফেরত আনতে সক্ষম হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ আলোচনা সম্পন্ন হওয়া পর ইরানের প্রতিনিধিদের সাথে একটি বিশেষ মিলন ঘটেছে। এই আলোচনার ফলাফল আশা করা হচ্ছে যুদ্ধবিরতি পুনঃনির্ধারণ করতে পারবে।
নাকভি সতর্ক করে বলেছিলেন, যুদ্ধবিরতি এখন তাদের প্রাণ ধারণ করছে। সেই সুফল ছাড়া আলোচনা আর অগ্রসর হবে না। তাঁর মতে, সম্পর্ক মেনে নেওয়া ছাড়া সমাধান অসম্ভব।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয় যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে হামলা চালায়। এর আগে ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প প্রশাসন।
তিনি বলেন, “১৪ দফার প্রস্তাবে ইরান জনগণের কিছু অধিকার কথা বলেছে। তা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আলোচনা ব্যর্থ হলে পুনরায় প্রতিশোধ চাইবে ইরান।”
পূর্বে ইরানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কয়েক দিন আগে তেহরানে গেছিলেন। এর পর নাকভি এই সফরে আসেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির পর এই আলোচনা ঘটেছে।
