ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তির পথ বাধা দিয়েছে নিষ্ঠাপন কর্তৃক বিষয়টি অস্পষ্ট
য ক তর ষ ট র র – তিন মাসের বেশি সময় যুদ্ধ চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পথ থেকে ইরানের নেতৃত্ব এখনো সরে আসছে না। প্রতিপক্ষের যুদ্ধবাজরা ক্রমাগত শর্ত দিয়ে চাচ্ছেন। তার ফলে কোনো ধরনের সমঝোতা এখনো অস্পষ্ট হয়ে রয়েছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বিবাদ অব্যাহত।
আইআরজিসির গুপ্তহত্যার আশঙ্কা থেকে ইরানের নেতারা বলছেন, কোনোভাবেই তাঁরা আত্মসমর্পণ করবেন না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তাঁর পরিবার নিহত হয়েছে। ছেলে মোজতবা খামেনি আহত হন। সেই ঘটনার পর তাঁকে ধর্মীয় ও সামরিক কাঠামোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি প্রকাশ্যে দেখা করছেন না, কেবল তাঁর নামে লিখিত বার্তা প্রকাশ করছেন।
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবমুক্ত। এটি হবে এ অঞ্চলের মানুষের উন্নতি, শান্তি ও কল্যাণের ভবিষ্যৎ।
মোজতবা খামেনি বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান বিজয় অর্জনের কথা বলছেন। যুদ্ধের সময় আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র শাখার প্রধান মাজিদ মুসাভি বলেন, শত্রুর সঙ্গে আলোচনা করা মানে নিছক ক্ষতি।
অন্যদিকে ইরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বিষয়টি চুক্তি করার জন্য স্পষ্টতা নেই। এই সময়ে ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ভূগর্ভে চাপা পড়া উচ্চমাত্রায় ইরানের সম্পদ নিয়ে চুক্তি হবে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট।
আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার আহমাদ ভাহিদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে একটি পতনোন্মুখ পরাশক্তি বলে মনে করেন। সশস্ত্র বাহিনী তাঁদের সামরিক ও নিরাপত্তা গোষ্ঠীগুলো তিনি অব্যাহত ক্ষমতার শিখরে পৌঁছেছেন। তাঁদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিসরে ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
প্রয়োজন হলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুদের ওপর হামলা চালাতে প্রস্তুত। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণে ইরানের ক্ষমতা আছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আলোচনার জন্য শক্ত অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
আলোচনার প্রতি আবেদন বৃদ্ধি করছে নিষ্ঠাপন গোষ্ঠী
আইআরজিসির সাবেক প্রধান কমান্ডার মোহাম্মদ আলী জাফরি �
