যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা কি বাংলাদেশের জ্বালানিসংকট দূর করবে
য ক তর ষ ট র র – ১৪ মে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা ঘোষণার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সমঝোতা দ্বারা এলএনজি এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহের খরচ কমানো হবে এবং জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করা হবে। কিন্তু সেই সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব টেকসই জ্বালানিনিরাপত্তা কী ভাবে সম্ভব হবে, তা সংক্রান্ত প্রশ্ন উঠেছে।
অতীতে গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ক্রয়চুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে এলএনজি বাজার বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে। গ্যাস এক্সপোর্টিং কান্ট্রি ফোরাম (জিইসিএফ) একটি বিশেষজ্ঞ মতামতে বলেছে যে খরচ বৃদ্ধির মূল কারণ হল মার্জিনাল খরচ ও মূলধনের সীমাবদ্ধতা। বর্তমানে সেই সম্পদের সংকট নয়, বরং এলএনজি উৎপাদনের উৎস সংকুচিত হওয়ায় ব্যবস্থা খরচ বেড়ে চলেছে।
সমঝোতার ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা কেন নির্বাচন হয়েছে?
গ্যাস এক্সপোর্টিং কান্ট্রি ফোরাম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বর্তমান ও ভবিষ্যতের সক্ষমতার মধ্যে খরচ বৃদ্ধির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতিরিক্ত সরবরাহের খরচ সাধারণত তিন ইউএসডি/এমএমবিটিইউ নিচে ছিল, কিন্তু প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো চার ইউএসডি/এমএমবিটিইউ ছাড়িয়ে গেছে, যা বিস্তারিত করেছে একটি বৃদ্ধি হার ঘটেছে। এই সমঝোতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্যে বাংলাদেশ ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভর করবে, যা পরিবেশগত ঝুঁকি সৃষ্টি করছে এবং বৈশ্বিক গ্যাসবাজারের অস্থিরতার পরিমাণ বাড়তে পারে।
যেখানে বিদ্যমান ও নির্মাণাধীন প্রকল্পগুলোর খরচ সাধারণত ৩ ইউএসডি/এমএমবিটিইউর নিচে ছিল, সেখানে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর খরচ ক্রমে দুই শতাংশ বৃদ্ধি ঘটছে।
বায়োএনার্জি এবং জিওথার্মাল ব্যবহার করে কৃষিজমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ছাড়া অন্যান্য বায়োএনার্জি পদ্ধতি বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বায়োম্যাস বা ভূট্টা থেকে তৈরি জ্বালানি ক্ষেত্রে খাদ্য উৎপাদনের সম্ভাবনা কমে গেছে এবং খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফাও কর্তৃক সতর্ক করা হয়েছে যে এই পদ্ধতি পরিবেশ ও খাদ্যনিরাপত্তা উভয় ক্ষেত্রে ঝুঁকি নিয়ে আসছে।
বাংলাদেশের পরিবেশগত অবকাঠামো সম্পর্কে
