ময়মনসিংহে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতার মৃত্যুদণ্ড
ময়মনস হ শ শ ড় ক হত – ময়মনসিংহের শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতা সুজিত শীলকে মৃত্যুদণ্ড কারাদণ্ডে বাদি করে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবেদন করেছেন বিশেষ দায়রা জজ ফারহানা ফেরদৌস। মামলার সমাপনী রায়ে তাঁকে সরাসরি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হয়েছে এবং তাঁকে আরও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সুজিত শীল সম্পর্কে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কৈচাপুর বোর্ডবাজার এলাকায় থাকা তাঁর স্ত্রী ইতি রানী শীল। এ ঘটনার মাধ্যমে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে সুজিত শীলের প্রতি আদালতের প্রতিশোধ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
সমস্যার প্রারম্ভ এবং ঘটনার বিবরণ
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার কৈচাপুর বোর্ডবাজার এলাকায় থাকা সুজিত শীলের সাংসারিক বিষয়গুলোতে স্ত্রী ইতি রানী শীল এবং শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীর মধ্যে প্রতিবেদন হয়েছিল। প্রতিবেদন প্রতিবেদন বা বিষয়বস্তু গুরুতর হওয়ায় সুজিত শীল তাঁর শাশুড়িকে ঘুমিয়ে গেলে আঘাত করেন। ছুরি ও দাগ দিয়ে তাঁর শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীকে হত্যা করেন। অতিক্রম করে আসামিদ্বয়কে উদ্ধার করে স্থানীয় মানুষ তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এর পর তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরদিন সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানী মৃত্যু ঘটে। মামলার সমাপনী ঘটনায় আসামি সুজিত শীল আর তাঁর স্ত্রী ইতি রানী শীল অবশ্য তাঁদের সাথে কোন সম্পর্ক ছিল না। তাঁদের দাবি ছিল সুজিত শীল শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীকে নিহত করেছেন। মামলার প্রতিবেদন অনুযায়ী তাঁর শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতার মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
আদালতের রায় ও বিষয়বস্তু
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান জানান, সুজিত শীল তাঁর শাশুড়িকে হত্যার দায়ে আসামি উপস্থিত থাকার কারণে আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে বাদি করে দেয়া হয়েছে। রায়ের পর সুজিত শীলকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। শাশুড়িকে হত্যার দায়ে সুজিত শীল একটি বিশেষ রায় পান।
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান জানান, শাশুড়িকে হত্যার দায়ে আসামি উপস্থিত থাকার কারণে আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। রায়ের পর সুজিত শীলকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। শাশুড়িকে হত্যার দায়ে সুজিত শীল একটি বিশেষ রায় পান।
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের দাবি করেন সরকারি কৌঁসুলি আকরাম হোসেন এবং আসামিপক্ষে হাসিব আহমেদ। ইতি রানীর বড় বোন সন্ধ্যা রানী হালুয়াঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন। মাম
