মেঘনা নদী ভাঙন রোধে ভোলা সদর ও দৌলতখানে সড়ক অবরোধ
অবরোধ ও ঘেরাও ঘটনা বিস্তারিত
ম ঘন নদ ভ ঙন র ধ – মেঘনা নদী ভাঙন রোধের দাবিতে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দারা যুগীরঘোলে অবস্থিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কার্যালয় ঘেরাও করেন। সড়ক অবরোধ কর্মসূচির মাধ্যমে যুগীরঘোল সড়কে গুরুত্বপূর্ণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে প্রায় দুই মিনিট ধরে ধস্তাধস্তি ঘটে।
মেঘনা নদী ভাঙন রোধে প্রধান দাবি হিসেবে সিসি ব্লক ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, নদীর ভাঙনের কারণে শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নের অবশিষ্ট অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা আছে। এ ঘটনার পরিণতি ভোলা শহরের রক্ষা বাঁধের প্রতি আপত্তি দেখা দেয়।
প্রতিনিধি এ কে এম নুর হোসেন, মো. মুনসুর, আবদুল মোতালেব ও আমজাদ বলেন, “মেঘনা নদী ভাঙন রোধে অনুগ্রহ করে সিসি ব্লক ডাম্পিংয়ের দাবি জানাচ্ছি। শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নের নদী-তীরবর্তী এলাকার মানুষ প্রতিদিন অপারেশন করছে এবং ভাঙনে মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।”
অবরোধ কর্মসূচির সময় প্রতিনিধিরা পাউবোর প্রধান ফটক ঠেলে কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয় এবং ধস্তাধস্তির পর কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এ ঘটনায় মেঘনা নদী ভাঙন রোধের দাবি সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
পাউবো কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়া
প্রায় দেড় ঘণ্টার বিক্ষোভের পর পাউবোর কর্মকর্তারা আশ্বাস দেন যে মেঘনা নদী ভাঙন রোধে সিসি ব্লক ডাম্পিংয়ের কাজ আগামী এক মাসের মধ্যে শুরু হবে। পরিদর্শক মো. ফিরোজ আলম হাওলাদার বলেন, “সিসি ব্লক ডাম্পিংয়ের দাবিতে স্থানীয় লোকজন আন্দোলন করছিলেন। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে মেঘনা নদী ভাঙন রোধের পরিকল্পনা বৃদ্ধি পেয়েছে।”
সিসি ব্লক ডাম্পিংয়ের জন্য ৬৮৫ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব দেখা যায়। বর্তমানে এটি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ভোলা-১ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দীন আরিফ বলেন, “মেঘনা নদী ভাঙন রোধে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা প্রতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
