মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয়ের চমক, সিনেমার জন্য কী পদক্ষেপ নিলেন তিনি
ম খ যমন ত র হয় ই – তামিল সিনেমার সাথে রাজনৈতিক কাজ, তারকাদের পূজা আর ভোররাতের প্রথম দিনের প্রথম শো সংস্কৃতি অনেক দশকের ধারাবাহিকতা ছিল। সেই সংস্কৃতিতে এখন বড় পরিবর্তন ঘটেছে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়ের মাধ্যমে। তিনি সরকারের নতুন নিয়ম প্রবর্তন করেছেন, যেখানে ছবির মুক্তির প্রথম সাত দিন পর্যন্ত সব হলে দিনে পাঁচটি শো চালানো অনুমতি দেওয়া হবে। তবে ভোররাতের শো নিষিদ্ধ থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
পুরোনো নিয়ম কী ছিল?
পূর্বে তামিলনাড়ুর সিনেমা হলে দিনে চারটি শো চালানোর অনুমতি ছিল। বিশেষ উৎসব বা ছুটির দিনে পঞ্চম শো চালাতে আলাদা অনুমতি প্রয়োজন হতো। ফলে বড় বাজেটের ছবির মুক্তির আগে প্রযোজক, পরিবেশক ও হলমালিকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা থাকত।
নতুন নিয়মে সব প্রেক্ষাগৃহ প্রথম সপ্তাহে ছাপা ছবির সমস্যার সমাধান ঘটবে। এই পরিবর্তন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জন্য বিশেষ অনুমতি ছাড়াই প্রথম শো চালানো সম্ভব হবে। ফলে সিনেমা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সমস্যা কমবে।
উৎসব আবহে বিপর্যয়ের ঘটনা
প্রথম দিনে প্রথম শো সাধারণত দুপুর বা বিকেলে শুরু হত। মাল্টিপ্লেক্স আসার পর ভোররাতে শো চালানো শুরু হয়। অভিনেতা বিশাল সহ অনেকেই রাতভর লাইনে দাঁড়িয়ে তারকার ছবি সবার আগে দেখার জন্য প্রস্তুত হতেন। পরিবেশকদের প্রতিক্রিয়া ছিল ছবির মুক্তি নিয়ে বিশেষ আগ্রহ।
এ সিদ্ধান্ত কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ মুক্তির প্রথম সপ্তাহ একটি ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সময়। ভোররাতের শো বন্ধ করার ফলে ছবিটির আয়ে প্রভাব পড়ত।
২০২৩ সালের পঙ্গল উৎসবে মুক্তি পেয়েছিল ‘থুনিভু’ ও ‘ভারিসু’। এর পর ভোর চারটায় ও রাত একটায় শো শুরু হয়েছিল। কিন্তু এক ভক্তের মৃত্যুর পর বিজয় এ পরিবর্তন গ্রহণ করেন। তামিলনাড়ু সরকার ভোররাতের শো বন্ধ করে দেয়।
বিজয় এ পদক্ষেপে সিনেমা শিল্পের কোন সমস্যা ঘটে না বলে সবাই স্বাচ্ছন্দে বিশ্বাস করছেন। কিন্তু এখনও ভোররাতে শো ফিরে নি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়া সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হতে চাইছেন। পরিবেশকদের কাছে অনুমতি চাওয়
