মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে ইসলাম যে ব্যবস্থার কথা বলে
ম ন লন ড র প রত – ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠিত এলাকায় নতুন বাসভূমি অর্জন করেছেন একজন বাণিজ্যিক ব্যক্তি। কাগজপত্র সুস্থ ও ব্যাংক তহবিল পরিচালনা স্বচ্ছ হওয়ায় কেউ কেও ফাঁকফোকর সন্দেহ করতে পারে না। কিন্তু প্রক্রিয়াটির গোপন রহস্য ছিল কোনো অপব্যবহার, কর কাটা কাটিয়ে সম্পদ পাচার ও অবৈধ চুক্তির মাধ্যমে অপরাধ প্রমাণিত হতো।
অর্থনৈতিক চুক্তি ও ইসলামি নৈতিকতা
ব্যাংকের স্টেটমেন্ট স্বচ্ছ থাকলেই কি সম্পদ হালাল হয়ে যায়? এই প্রশ্ন সামনে আসে যখন মানিলন্ডারিং শব্দটি ব্যবহৃত হয়। মানিলন্ডারিং বা অর্থ ধোলাই প্রক্রিয়া ছিল কালো টাকা সাদা করার কাজ। শব্দটি উৎপন্ন হয়েছে লন্ড্রি (কাপড় ধুয়ে পরিষ্কার করা হয়) শব্দ থেকে। অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ বাণিজ্যিক লেনদেনের মাধ্যমে বৈধ মনে করে তোলা হত।
মানিলন্ডারিং শুধু অর্থনৈতিক কৌশল নয়, এটি নৈতিক বিপ্লবের প্রতীক এবং মৃত্যুর ভয়াবহ প্রতিশোধের সূত্র।
১৯২০-এর দশকে মদ্যপান নিষিদ্ধ হওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের মাফিয়া ডন আল ক্যাপোন তাঁর অবৈধ ব্যবসার টাকা স্বচ্ছ হওয়ার জন্য শহরে লন্ড্রোম্যাট বা কাপড় ধুয়া দোকান কেনা শুরু করেন। তাঁর কৌশল ছিল এমন: খুচরা নগদ টাকা ব্যবসার চ্যানেলে ঢোকানো হত, অবৈধ আয় এই মাধ্যমে বৈধ করে তোলা হত। এর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ গোপন করে দেওয়া হত বৈধ আয় হিসেবে।
