মানবাধিকার কমিশন যেন ‘নখদন্তহীন’ প্রতিষ্ঠান না হয়, এমন আইন করা হচ্ছে
ম নব ধ ক র কম শন – রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গুম ও মানবাধিকার আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি ঘোষণা করেন যে নতুন আইন গুম কমিশন যেন সাধারণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় না এমন করা হয়েছে। এই আইনটি আগের মানবাধিকার কমিশন আইনের কিছু সীমাবদ্ধতা দূর করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
নতুন আইনের প্রস্তাব
আইনমন্ত্রী বলেন, আগের আইনে কমিশনের প্রতিবেদন আদালতে আমলযোগ্য প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হত না। নতুন আইনে এই সুযোগ রাখা হয়েছে যাতে কমিশনের বিবৃতি আদালত গ্রহণ করতে পারে এবং তা সমৃদ্ধ বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করতে পারে। নতুন আইনে প্রত্যেক কাজের সময়সীমা রেখে দেওয়া হয়েছে।
‘নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে আগের আইনের কিছু সীমাবদ্ধতা দূর করার চেষ্টা করা হয়েছে। আগের আইনে কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনায় টাইমফ্রেম যেটা দেওয়া ছিল, ওয়াইড টাইমফ্রেম দেওয়া ছিল। নতুন আইনে আমরা প্রত্যেকটি স্তরে টাইমফ্রেমটা রেখে দিয়েছি। দ্বিতীয়ত, কমিশনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। কারণ কমিশন মানুষের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠান। তারা কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর চূড়ান্ত হিসেবে ধরে না নিয়ে পুনরায় পর্যালোচনা করতে পারে।’
মতবিনিময় সভায় আইনমন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন। সভায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। এরপর সেই খসড়া আইনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়। আইনমন্ত্রী তাদের পরামর্শ শোনেন এবং লিখিত পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
গুম কমিশন আইনের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আগের আইনে অপরাধীরা বেশি লাভবান হতো। এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত। ফলে গুম আইনের এই খসড়া নিয়ে আমি নিজেও খুশি নই। আইনের প্রত্যেকটি লাইন আবার পড়ে দেখতে হবে। এটি নিয়ে আরও আলোচনা করার প্রয়োজন হবে।’
গুম তদন্তের বিষয়ে এক পরামর্শে নূর খান লিটন বলেন, ‘গুম নিয়ে বাহিনীগুলোর প্রধানদের কাছে আগে জবাব চাওয়া হলে, তাঁরা কোনো জবাব দেন না। দিলেও সেটি বানানো একটা জবাব দেন। এ ক্ষেত্রে আমরা তাঁদের কাছে চাইতেও পারি, আবার তদন্ত শুরু করে দিতেও পারি।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, কমিশন বা
