মাটির নিচে ছত্রাকের রহস্যময় জাল কীভাবে পরিবেশ বাঁচায়
ম ট র ন চ ছত র – মাটির নিচে ছত্রাকের রহস্যময় জাল বা মাইকোরাইজাল নেটওয়ার্ক একটি অদৃশ্য কিন্তু বিপুল প্রভাব ফেলা সামগ্রিক প্রাণী জাতীয় পরিবেশ প্রাণী এর অস্তিত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করেছে। এই সুতার জাল বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ উদ্ভিদকে খাদ্য নিরাপত্তা প্রদান করে বলে গবেষণার তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে। এই ছত্রাক নেটওয়ার্ক সূর্য থেকে মাটি পর্যন্ত প্রায় ১০০ কোটি বার কার্বন উপাদান পরিবহনের ক্ষমতা রাখে। মাটির নিচে ছত্রাকের রহস্যময় জাল যে প্রাণী জাতীয় অভ্যন্তরীণ সংযোগ গঠন করে সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে।
মাটির নিচে ছত্রাকের সুতার সংগঠন
নেদারল্যান্ডসের ভ্রিজে ইউনিভার্সিটি আমস্টারডাম ও সোসাইটি ফর দ্য প্রোটেকশন অব আন্ডারগ্রাউন্ড নেটওয়ার্কসের গবেষকদের হাতে মাটির নিচে ছত্রাকের রহস্যময় জালের বিস্তারের নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ণয় করা হয়েছে। এটি প্রায় ১১০ কোয়াড্রিলিয়ন কিলোমিটার পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে। স্টেপ এবং জলাভূমি এলাকায় ছত্রাকের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণ জানা গেছে। এই জালের মোট ওজন প্রায় ৩০ কোটি টন হিসেবে তুলনা করা হয়েছে, যা কার্বন চক্রের সামগ্রিক সংস্থাপন করতে সাহায্য করছে।
মাটির কেবল এক চা-চামচে প্রায় ১০ মিটার (৩৩ ফুট) দৈর্ঘ্যের মাটির নিচে ছত্রাকের রহস্যময় জাল থাকতে পারে। বিজ্ঞানীদের একাংশ এই সুতার জালকে উড ওয়াইড ওয়েব বলে চিহ্নিত করেন, যেখানে একটি প্রাণী ছত্রাকের সুতার সম্পর্কে বিস্তার দেখা গেছে।
পরিবেশ বাঁচানোর অদূর ভবিষ্যত
মাটির নিচে ছত্রাকের রহস্যময় জাল দ্বারা প্রতিবছর উদ্ভিদ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য উপাদান প্রায় ৪০০ কোটি টন স্থানান্তরিত হয়। এই গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, মাটির নিচে ছত্রাকের সুতার সংগঠন পরিবেশ পরিবর্তনের গতিবিধি পরিমাপ করার জন্য বিশেষ ক্ষমতা নিশ্চিত করেছে। রোবোটিক ইমেজিংয়ের মাধ্যমে এই ছত্রাক নেটওয়ার্কের পুরুত্ব ও আকৃতি পরিমাপ করা হয়েছে, যা কার্বন চক্রের স্থায়ী পরিবর্তন পরিচালনার জন্য সুপরিচিত হয়েছে।
মাটির নিচে ছত্রাকের রহস্যময় জাল গবেষণার অবদান প্রমাণ করে যে এই সুতার জাল কোনও বিশ্বাসের বাইরে পরিবেশ রক্ষণের জন্য মূল্যবান। এই সংযোগের মাধ্যমে উদ্ভিদ আপন প্রাণী জাতীয় পুষ্টি উপাদান প্রদান করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড উপাদান প্রবাহিত �
