Uncategorized

মাংস রান্নার স্বাস্থ্যকর উপায়গুলো জানা আছে তো

মাংস রান্নার স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি বুঝতে পেরেছেন কি? ম স র ন ন র স - মাংস পুষ্টিকর ও স্বাদ সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু অতিরিক্ত মাংস খাওয়া বা ভুল পদ্ধতিতে রান্না করা

Desk Uncategorized
Published May 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মাংস রান্নার স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি বুঝতে পেরেছেন কি?

ম স র ন ন র স – মাংস পুষ্টিকর ও স্বাদ সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু অতিরিক্ত মাংস খাওয়া বা ভুল পদ্ধতিতে রান্না করা বৈজ্ঞানিক পুষ্টি উপাদানগুলো নষ্ট করতে পারে। সুতরাং মাংস রান্নার সঠিক উপায় জানা আবশ্যক। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রধান এবং পুষ্টিবিদ অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান কথা বলেছেন রাফিয়া আলম।

রান্না পদ্ধতির বিশেষ উপদেশ

যে চর্বি আপনি মাংসে দেখতে পাচ্ছেন, তা যতটা সম্ভব কেটে ফেলুন। রান্নায় তেলের ব্যবহার কমানো উচিত। তেল ছাড়া মাংস রান্না করার উপায় রয়েছে। লাল মাংসে যে চর্বি থাকে, তা উত্তাপে কিছু পরিমাণে নির্গমন করতে পারে। তেল ব্যবহার করা ছাড়া মাংস রান্না করলে ওই চর্বি পরিমাণে খাবারে এসে পৌঁছবে।

এতে স্বাদের বৈচিত্র্য থাকবে এবং স্বাস্থ্য ক্ষতি হবে না। মাংসের সঙ্গে নানা রকম মসলা যোগ করতে পারেন।

গ্রিল বা ঝলসানো পদ্ধতি ব্যবহার করলে মাংস পুড়ে কালো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঝলসাতে মৃদু আঁচে সময় নিয়ে করুন। তাহলে মাংসের ভেতরটা সম্পূর্ণ সেদ্ধ হবে। ঝলসানোর আগে অন্যান্য উপাদান দিয়ে মাংসটিকে মাখিয়ে রাখা জরুরি।

তাপ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব

উচ্চ তাপে মাংস রান্না না করাই সেরা। মাঝারি তাপে ধীরে ধীরে রান্না করুন। প্রেশার কুকার ব্যবহার করলে তেল ছাড়া রান্না করা সম্ভব। পশু জবাই করার তিন ঘণ্টার মধ্যে মাংস রান্না করা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে কোনো পুষ্টি উপাদান হারাবে না।

মাংস ঢেকে রান্না করুন। নইলে কিছু পুষ্টি উপাদান বাষ্পীভূত হতে পারে। আবার মাংস ঝুরি হয়ে গেলে তা খেতে ভালো লাগে। কিন্তু তাতেও পুষ্টি উপাদান ক্ষয় ঘটতে পারে।

সবজি ও মাংসের সমন্বয়ের সুবিধা

মাংসের সঙ্গে সবজি যোগ করলে রান্নার পরিমিতি বজায় রাখা সহজ হয়। ঝোল জাতীয় পদে পুষ্টি উপাদান সংরক্ষিত থাকে। শিশুদের জন্য সবজি খাওয়া সম্ভব হয়।

কাঁচা মাংস আর রান্না করা মাংস আলাদা করে রাখুন। যে পাত্র বা ছুরি ব্যবহার করেছেন কাঁচা মাংস সংরক্ষণের জন্য, তা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। কাঁচা মাংস খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

খাবার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ

মাংস খাওয়ার পরিমাণ বাড়তে দেখুন না। পশুর মগজ, পায়া, পাঁজর, মজ্জা, মাথা এবং গলা হাড়ে চর্বি বেশি থাকে। এসব অংশ খাওয়া সতর্কতার সাথে করুন। রানের মাংস ও কলিজা সম্পর্কেও অতিরিক্ত খাওয়া সীমিত রাখুন।

স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বেশি হওয়া, ডায়াবেটিস বা হৃদ রোগের ক্ষেত্রে মাংস এবং তেল-চর্বি খাওয়া বিধিনিষেধ থাকতে পারে। তখন সেই পরামর্শ মেনে চলুন।

পাঁচ শতাধিক মেইল পাঠিয়েছেন মাসুম, পেয়েছেন ফুল ফান্ডেড

Leave a Comment