Uncategorized

মন খারাপ করা বিকেল

মন খারাপ করা বিকেল মন খ র প কর ব ক - অস্ট্রেলিয়াতে পরিচিত তিনটি বিষয়ের সম্পর্ক কখনো বিশ্বাস করা যায় না। এগুলো হলো ওয়েদার, ওয়ার্ক ও উইমেন। তিনটি বিষয়ের

Desk Uncategorized
Published May 31, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মন খারাপ করা বিকেল

মন খ র প কর ব ক – অস্ট্রেলিয়াতে পরিচিত তিনটি বিষয়ের সম্পর্ক কখনো বিশ্বাস করা যায় না। এগুলো হলো ওয়েদার, ওয়ার্ক ও উইমেন। তিনটি বিষয়ের পরিবর্তন যে কখন হতে পারে, তা কেউ আগে থেকে বলতে পারে না কোনও সময় ও পূর্বাভাস ছাড়া। বর্তমানে শীত বিস্তার পেয়েছে এবং প্রায় সবসময় বৃষ্টি চলছে। এই সময়ে বৃষ্টি বাংলাদেশে আনন্দের সংকেত হয়, কিন্তু এখানে তা মন খারাপের গান শুনায়।

কবীর সুমন লিখেছেন— ‘মন খারাপ করা বিকেল মানেই মেঘ করেছে দূরে কোথাও দু-এক পশলা বৃষ্টি হচ্ছে।’

আবার আসে ঈদুল আজহা হালে। এ ছাড়া আমার মনে চলছে নৌভ্রমণের স্মৃতি। আগে থেকেই বলেছিলাম চাঁদরাতে যখন বন্ধুদের একত্র হোয়া হবে, তখন আমার কল করতে হবে। টিভিতে কাজী নজরুল ইসলামের গানের পরিচয় দিয়ে সেই সময়ে আমি সোফায় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। পরে ভোর চারটার পর ঘুম ভাঙল আমার। হোয়াটস্যাপে মিসড কলের সংখ্যা দেখে আমি তাড়াতাড়ি ফিরতি কল করলাম। ভিডিওতে দেখলাম বন্ধুদের সবাই হাসছে। কেউ কেউ বলেছিল, আজকে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম মানে কী? পরে সবার সঙ্গে কুশলবিনিময় করলাম। সেই সময়ে বন্ধুদের দেখে মনে হয় জীবন এত সুন্দরও হতে পারে। আমাদের মধ্যে নেই কোনো ভেদাভেদ, নেই কোনো উচ্চবাচ্য। আমাদের একটা সাধারণ পরিচয়—আমরা সবাই কুষ্টিয়ার মানুষ।

ঈদ আসার সময় বন্ধুদের সবাই কুষ্টিয়া গিয়ে জড়ো হয়েছিল। আমি আগে থেকেই জানিয়েছিলাম চাঁদরাতে আমাকে কল করতে হবে। এরপর যখন সবাই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে বাড়িতে অবসর কাটাচ্ছিল, তখন আমরা আরও কাছাকাছি হয়ে এলাম। এখন ওদের বলেছি যে আমি নিশ্চিত জানি ওরা আবার কল দেবে। ওদের সঙ্গে কলেজে পড়ার সময় আমি ওদের পরিবারের সম্পর্কে আমার মনে করে তৈরি হয়েছিল এবং থাকবে।

তালবাড়ি থেকে এমাথা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে চলত আমাদের হাঁটাহাঁটি। রেনউইক বাঁধে গিয়ে ঘণ্টা হিসাবে নৌভ্রমণ ছিল আমাদের প্রিয় বিষয়। নদের ওপর সেতু হয়নি তখনো যে সময় গড়াই। আমরা দলে দলে কুষ্টিয়া এসে হাজির হতাম। নৌকার দুলুনিতে মনে হত আমি নদীর ঢেউয়ের ওপর শুয়ে আছি। এখন ওদের সঙ্গে অবসর সময় কাটাচ্ছি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ট্রেনের আগে ওরা আমাকে কল দিস।

এই রুটিনের মধ্যে নেই কোনও বৈচিত্র্য। সূর্য ওঠার আগে থেকে ঘুম থেকে উঠে স্টেশনে গেলে ট্রেনে চড়ে বসতে হয়। প্রতিদিন সেই কামরায় ও সেই যাত্রীদের সঙ্গে যাতায়াত। ট্রেনের জানালা থেকে দেখতে হয় সেই একই দৃশ্য। আমি চেষ্টা করি যেতে হয় নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয়ে রুটিন আনন্দময় করতে। কিন্তু মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের আত্মকেন্দ্রিক করে দিয়েছে।

‘এই দূর পরবাসে তারা গুনি আকাশে আকাশে কাটে নিঃসঙ্গ রাত্রিগ

Leave a Comment