ভেনেজুয়েলায় দুটি মহামাত্রার ভূমিকম্প ঘটায় এখন পর্যন্ত ১৬৪ জন মানুষ মৃত হয়েছেন
ভ ন জ য় ল য় ভ – ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে পশ্চিমে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দূরে বুধবার বিকেলে প্রথম ভূমিকম্প হয়। স্থানীয় সময়ের মাত্র এক মিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় ভূমিকম্প ঘটে যায়, যার মাত্রা প্রথমটি থেকে কিছু বেশি। অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ জানান যে, এখন পর্যন্ত ১৬৪ জন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলেছে যে, প্রাণহানির সংখ্যা কয়েক হাজার হওয়ার আশঙ্কা আছে এবং এই সংখ্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। সংস্থার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে, লা গুয়াইরা রাজ্যে ধ্বংসস্তূপ মাড়িয়ে প্রচুর আতঙ্ক ছড়ানোর সাক্ষাত্কার অনেকে দেখেছেন। এখন এলাকায় শক্তিশালী আফটারশকের অনুভূতি হচ্ছে।
ভবনগুলো ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপ তল্লাশি শুরু হয়েছে
রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি শুরু করেন। এই প্রক্রিয়ায় ধসে পড়া ভবনে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের কয়েকজন এখন স্ট্রেচারে করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। মারিয়া আলেজান্দ্রা বলেন, “আমরা নিচে নামছিলাম যখন সবকিছু ভৌতিক সিনেমার মতো মনে হচ্ছিল।” ওই মহিলা আরও জানান, “ভবনের তত্ত্বাবধায়ক শিশু কোলে এবং সব প্রতিবেশী নিচে নামছিলেন, কিন্তু ওই ধসে পড়া ভবন থেকে আমি কেবল একটি পরিবারকে বেরিয়ে আসতে দেখেছি।”
সরকার এবং বিশ্বনেতাদের সহায়তার আহ্বান
বুধবার রাত ১টার দিকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভাষণে রদ্রিগেজ বলেন, “কয়েক ডজন ভবন ধসে পড়েছে, আমরা উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করেছি।” তিনি আরও জানান যে, লা গুয়াইরা রাজ্য এখন এক সত্যিকার ট্র্যাজেডির নাম। সরকার জাতিসংঘের মানবাধিকার মিশনকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর থাকা বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানায়। এলাকাটিতে এখনো ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ হওয়ার তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ জানান, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিদেশ থেকেও উদ্ধারকারী দল আসবে। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্য বিশ্বনেতাদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়া, সরকারি ছুটির দিনে ভূমিকম্পে কয়েক শত মানুষ ওই সময় বাসাবাড়িতে ছিলেন।
“বিরাট একটি শব্দ হলো, বাড়ির ভেতরের জিনিসপত্র সব পড়
