Uncategorized

ভারতে সাড়া ফেলা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা কে এই অভিজিৎ

ভারতে সাড়া ফেলা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা কে এই অভিজিৎ ভ রত স ড় ফ ল ককর - সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতে এখন একটি বিষয় নিয়ে চরম আলোচনা চলছে। বিষয়টি

Desk Uncategorized
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ভারতে সাড়া ফেলা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা কে এই অভিজিৎ

ভ রত স ড় ফ ল ককর – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতে এখন একটি বিষয় নিয়ে চরম আলোচনা চলছে। বিষয়টি হলো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি নামক ব্যঙ্গাত্মক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এটি একটি প্রথাগত রাজনৈতিক দল নয়, বরং মূলত যুবকদের দ্বারা গঠিত একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিষ্ঠান। এই প্ল্যাটফর্মের জন্ম হয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিশেষ মন্তব্যের উপর।

১৬ মে একটি মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘কিছু যুবক তেলাপোকার মতো। তারা কোনো কাজ পায় না, পেশায় কোনো জায়গা পায় না। তাদের কেউ মিডিয়া হয়, কেউ সোশ্যাল মিডিয়া বা আরটিআই কর্মী হয়ে সবাইকে আক্রমণ শুরু করে।’ তিনি এই মন্তব্য করেন একজন আইনজীবীকে ভর্ৎসনা করে। পরের দিনই অভিজিৎ দিপকে এই মন্তব্য দ্বারা প্রতিবাদ জানিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি গঠন করেন।

‘কিছু যুবক তেলাপোকার মতো। তারা কোনো কাজ পায় না, পেশায় কোনো জায়গা পায় না। তাদের কেউ মিডিয়া হয়, কেউ সোশ্যাল মিডিয়া বা আরটিআই কর্মী হয়ে সবাইকে আক্রমণ শুরু করে।’

গত বৃহস্পতিবার সিজেপি ইনস্টাগ্রামে অনুসারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১ কোটি ৯০ লাখের মোটামুটি সংখ্যায়। তারা ভারতের যে কোনো রাজনৈতিক দলের চেয়ে বেশি অনুসারী পেয়েছেন। সিজেপি প্রতিষ্ঠার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশাল আঁকড়া তৈরি করেছে।

বর্তমানে সিজেপির অ্যাকাউন্ট অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করার কারণে এক্স মাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার অনুসারীদের সংখ্যা ২ লাখের বেশি। এই দলে যোগ দেওয়ার শর্তগুলি মজার রকম। অবশ্যই বেকার, অলস এবং সারাক্ষণ অনলাইনে পড়ে থাকতে হবে। আর পেশাদারভাবে কোনো কিছুর সমালোচনা বা ‘র‍্যান্ট’ করার ক্ষমতা থাকতে হবে।

অভিজিৎ দিপকে পুনে থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক হন। বর্তমানে তিনি বোস্টন ইউনিভার্সিটিতে পাবলিক রিলেশনস বিষয়ে মাস্টার্স করছেন। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি আম আদমি পার্টির সঙ্গে সহযোগিতা করেন। তিনি আপের সোশ্যাল মিডিয়া টিমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন। ২০২০ সালের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কেজরিওয়ালের দলের হয়ে তিনি মিম ভিত্তিক প্রচারণায় অংশ নেন।

সিজেপির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, দলটি সেই সব মানুষের জন্য তৈরি হয়েছে যাদের কথা রাষ্ট্র বা ব্যবস্থা ভুলে গেছে। তারা নিজেদের ‘অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে দাবি করে। তাদের উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও মিম মাধ্যমে তরুণদের আকর্ষণ করা। এটি বেকারত্ব, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরতে ব্যবহার করে গ্রাফিকস ও অ্যানিমেশন মাধ্�

Leave a Comment