ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাত দলের হামলার শিকার র্যাবের তিন সদস্য
ব র হ মণব ড় য় য় – গতকাল সোমবার বিকেল চারটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামে ডাকাত দলের হামলায় র্যাবের তিন সদস্য আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। আহত সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত তিন সদস্য হলেন গোয়েন্দা শাখার সদস্য হাবিলদার মো. কাজল (৩৩), আবদুল মালেক (৩৪) ও কনস্টেবল মো. রাশেদ (৪৩)। তাঁরা র্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত। হামলার পর তাঁদের গ্রামে তিন ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। একজন সদস্য কৌশলে পালিয়ে যান।
হামলার পর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে
স্থানীয় সূত্র জানায়, শফিক মিয়া ও তাঁর সহযোগীদের বিপক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর পূর্বেও হামলার অভিযোগ আছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
খবর পেয়ে র্যাব ও গোয়েন্দা শাখার অন্য সদস্যরা সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন। ভিডিওতে স্থানীয় একজনের সঙ্গে র্যাবের এক সদস্যকে কথা বলতে শোনা যায়। র্যাবের ওই সদস্য বলেন, “মার কসম, মায়ের দুধের কসম।” জবাবে স্থানীয় ব্যক্তি গালি দিয়ে বলেন, “যদি আবার আইয়াস, একবারে কাইটা ফালাই দিমু।”
ভিডিওতে টি-শার্ট পরা এক র্যাব সদস্য দুই কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে এবং বাকি দুই সদস্য হাতে আঘাত নিয়ে কাতরাতে দেখা যায়। নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, রাত আটটার দিকে তিন সদস্যকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের হাতে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়।
আহত আবদুল মালেক বলেন, তিনি তথ্য সংগ্রহে দুটি মোটরসাইকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থানার দুর্গারামপুর সেতুর পূর্ব পাশে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন। চিহ্নিত ডাকাত শফিক মিয়া এবং তাঁর বাহিনী তাঁদের পথ রোধ করে হামলা চালায়। এ ঘটনায় তিনি মাথায় আঘাত পান এবং দুই সহকর্মী আহত হন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া র্যাব-৯-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুনবী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে নবীনগর
