Uncategorized

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন কেন জরুরি ছিল

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন কেন জরুরি ছিল ব দ ধ র ম ক ত - অন্ধকার ক্রমে ঘন হয়ে পৌঁছেছিল স্থানীয় বাংলাদেশে সংস্কৃতি কেন্দ্রে। বিশেষত, পূর্ব বাংলায় ঢাকার

Desk Uncategorized
Published June 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন কেন জরুরি ছিল

ব দ ধ র ম ক ত – অন্ধকার ক্রমে ঘন হয়ে পৌঁছেছিল স্থানীয় বাংলাদেশে সংস্কৃতি কেন্দ্রে। বিশেষত, পূর্ব বাংলায় ঢাকার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে আবহা ছিল সে সম্পর্কে ইতিহাস থেকে একটি নজির দেখা যাবে। ঢাকায় শিক্ষিত মুসলমানের সংখ্যা ছিল অতি নগণ্য, এবং তাদের অধিকাংশ ছিল বাইরে থেকে আগত। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা তখন স্বল্প ছিল, কারণ অধিকাংশ ছিল বাইরে থেকে এসেছিল।

ঢাকায় স্থানীয় মুসলমানদের নাম ছিল ‘কুট্টি’ এবং তাদের শিক্ষার প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। এ ছাড়াও তাদের সম্মুখে গোপনে তৎপরতা প্রকাশ পেত ঢাকার নবাবদের দিক থেকে। এই দুর্গম ও ভয়ানক আবহে বুদ্ধি মুক্তি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠা ঘটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র-শিক্ষক ছিলেন এ আন্দোলনের প্রধান প্রতিনিধিদের মধ্যে। কিন্তু তাঁদের সমর্থন পেয়েছিল স্থানীয় শিক্ষিত ব্যক্তিদের অভিনন্দন মাত্র।

১৯২৬ সালে মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠা হয়, যেখানে একমাত্র শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছাড়া প্রায় সবাই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক হিন্দু ভদ্রলোক। মুসলিম সমাজের মধ্যে তৈরি হয়েছিল বুদ্ধি মুক্তি আন্দোলনের বিরুদ্ধে অকল্পনীয় বাধা। কেননা এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল বিচার-বুদ্ধিকে অন্ধ সংস্কার ও শাস্ত্রের আনুগত্য থেকে মুক্তি দেওয়া। মানুষের নতুন চিন্তাভাবনার বাধা দেয় যে ধর্মীয় সংস্কার ও শাস্ত্র।

নিষেধের বিড়ম্বনা, আদেশের নিগ্রহ প্রকাশিত হলো কাজী আবদুল ওদুদ ও আবুল হুসেনের কাজে। এখন পূর্ব বাঙলা কর্তৃক সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘটিত হয় শ্রীমান আঘাত। কবি কাজী নজরুল ইসলাম মুসলিম সাহিত্য সমাজে যোগ দিলে আন্দোলনটি আরও বেগবান হয়। কেননা নজরুল নিজে ছিলেন কাফের, মুরতাদ, নাস্তিক প্রভৃতি বিশেষণে আখ্যাত।

বুদ্ধির মুক্তি, তথা বিচার-বুদ্ধিকে অন্ধ সংস্কার ও শাস্ত্রের আনুগত্য থেকে মুক্তি দেওয়া।

মুসলিম সাহিত্য সমাজের ইতিহাস প্রকাশিত হয়েছে বাঙালি মুসলমানদের সংস্কৃতি ও সাহিত্য বিষয়ক ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে তৈরি হয়। তাঁর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় এ সমাজ উদ্দীপ্ত হয়েছিল। কিন্তু কিছু সময় পর কাজী মোতাহার হোসেন এ গোষ্ঠীকে ত্যাগ করেন। কারণ এ গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড তাঁর পছন্দ হয়নি।

১৯২৮ সালের ২০ আগস্ট সোমবার দিনে ঢ

Leave a Comment