বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক, স্পেসএক্সের আইপিওতে বেড়েছে সম্পদ
ব শ ব র প রথম ট – ইলন মাস্ক বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছেন যেহেতু তাঁর জনপ্রিয়তা অন্যদের চেয়ে প্রাচুর্য প্রদর্শন করে। তিনি সম্পদের মালিক হিসেবে সেই স্তরে পৌঁছেছেন যেখানে তাঁর সম্পদ বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে পরিচিত।
সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানের বিস্তার
বিশ্বের বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ধনীদের প্রতি জনমনে বিরূপ ধারণা বৃদ্ধি পেলেও মাস্ক এখনও জনপ্রিয়। তাঁর আকর্ষণের মূল কারণ ব্যক্তিত্বের খোলামেলা ও সংযমহীন স্বাভাবিকতা। তবে সমালোচনা করেন কিছু বিশেষজ্ঞ যে তিনি ক্ষমতার ব্যবহার করেন সে বিষয়ে দাবি করেন।
“দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির সম্পদ প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে। অর্থাৎ মাস্কের সম্ভাব্য সম্পদের এক-তৃতীয়াংশেরও কম।”
স্পেসএক্সের আইপিও বাজারে আসার আগে ফোর্বসের হিসাবে মাস্কের সম্পদ ছিল ৭৮০ বিলিয়ন ডলার। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ল্যারি পেজের তুলনায় তাঁর সম্পদ দুগুণের বেশি। এখন তাঁর বড় অংশ স্পেসএক্সে অংশীদারির মূল্য প্রায় ৮৬৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী বিক্রি শুরু হওয়ার পর তাঁর মোট সম্পদ ছাড়িয়ে যাবে ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার। এই হিসাবে অবশ্য হস্তান্তরযোগ্য শেয়ারও অন্তর্ভুক্ত আছে।
ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য ও সমালোচনা
টেসলা ও স্পেসএক্সের মাধ্যমে মাস্ক বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন। ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার কেনার ফলে তাঁর প্রভাব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনীতিতে তাঁর প্রবেশ সমালোচনার কারণ হয়েছে যে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সংযোগ করেন। এ ফলে টেসলার বিক্রি কমে যায় এবং ভোক্তারা বাজারে বিক্ষোভ তৈরি করেন।
মাস্কের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হল স্পেসএক্স। তার সাথে টেসলা সহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি পরিচিত। এর মধ্যে আছে ভূগর্ভস্থ টানেল নির্মাণে কাজ করা দ্য বোরিং কোম্পানি ও মস্তিষ্কের চিপ প্রতিস্থাপনের জন্য নিউরালিংক সহ প্রতিষ্ঠান।
জন্ম ও শিক্ষা
ইলন মাস্ক ৫৪ বছর বয়সী এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা ছিলেন কানাডীয়, বাবা দক্ষিণ আফ্রিকান। স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবনী সক্ষমতা সম্পর্কে গ্রহণ করে
