বিশ্বকাপ ফুটবল ও বাঙালির উন্মাদনা
ব শ বক প ফ টবল ও – বিশ্বব্যাপী খেলার বৈশ্বিক আবেগ ছড়িয়ে পড়ে প্রতি চার বছর পর বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে। সারা বিশ্বের প্রান্তর হতে শুরু করে বাঙালি মানুষ এই খেলায় অংশ নেয়ার জন্য অপেক্ষা করে। বিশ্বকাপ ফুটবল হচ্ছে সমগ্র মানুষের জন্য আয়োজিত প্রতিযোগিতা, যেখানে মাঠের প্রতিটি গোল দেখে জনতা মুগ্ধ হয়ে ওঠে।
২৩তম বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশে অনুষ্ঠিত হবে—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো। আগে পর্বের তুলনায় এবার প্রথম বার বিশ্বের ৪৮টি দেশ আয়োজনে অংশ নেবে। এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে খেলার নতুন মানদণ্ড তৈরি হবে।
২০২২ সালে কাতারে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর এবারের আসর সাধারণ উত্তর গ্রীষ্মকালীন সময়সূচিতে ফিরে আসবে। খেলার পরিসমাপ্তি ঘটবে ১৯ জুলাই ফাইনাল ম্যাচে। সময়ের পরিক্রমায় খেলার সেরা দলগুলো প্রায় এক মাস ব্যাপী মাঠে নিয়োজিত হবে।
‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নামে পরিচিত এই প্রতিযোগিতা বৈশ্বিক মানদণ্ডে উঁচু মানে অবস্থান করছে।
বাঙালিরা অপেক্ষা করে বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রতিটি গোল ও খেলার ফলাফল বিশ্লেষণ করতে। খেলার বিনোদনের মাধ্যমে সবাইকে একসুতোয় গাঁথা বিশ্বকাপ ফুটবল হচ্ছে সব শ্রেণির মানুষের জন্য আয়োজিত বিজ্ঞাপন। আনন্দে বুঁদ হয়ে থাকে সারা বছর প্রতিটি মানুষের প্রতি খেলার আবেগ তুলে ধরে চলে।
প্রান্তর ছেয়ে যায় পছন্দের দলের পতাকা টাঙানোর মাধ্যমে। খেলার প্রতি প্রতিটি মানুষের নিবেদন ও আবেগ একত্রিত হয়ে উঠে। এবারের আসরে নানা তারকা মাঠে নেমে আসবে, যেমন এমবাপ্পে, কেইন, ইয়ামাল এবং মেসি, রোনালদো, নেইমার প্রমুখ। এই দুর্দান্ত জার্সি ও শৈল্পিক কারুকার্য দেখে সাধারণ মানুষ আনন্দে মত্ত হয়ে ওঠে।
তবে দিনশেষে মনে রাখতে হবে, এটি কেবলমাত্র খেলা। খেলাকে নিছক আবেগ বরণ করে প্রিয় দলের সমর্থনে তর্ক ও মতভেদের বিপক্ষে সাবধান হতে হবে। কারণ বাঙালিরা ঐতিহাসিকভাবে আবেগপ্রবণ। খেলা শেষে পতাকা টাঙানো বা বাঁধানো হিসেবে সবাই এক করে নিয়ে আসে বিশ্বকাপের উৎসব।
নাগরিক সংবাদ জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পাঠকেরা ই-মেইল: ns@prothomalo.com দিয়ে পারবেন।
লেখক: শাহ মুনতাসির হোসেন মিহান, এমএসএস শিক্ষার্থী, সমাজকর্ম বিভাগ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি �
