বিশ্বকাপ জিতলে দলের সবাইকে ট্যাটু করাবেন ইংল্যান্ড কোচ টুখেল
ব শ বক প জ তল দল – ইংল্যান্ডের নতুন কোচ টমাস টুখেল কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি অদ্ভুত পরিকল্পনা নিয়ে আসেন। সেই পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হলে দলের সবাই গায়ে ট্যাটু করাবেন। বিশ্বকাপ জিতার খুশিতে এই সমাজে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য তিনি নতুন এক উদ্যোগ চালু করেছেন। কানসাস সিটির এক ফিফা কর্মকর্তাও এই ঐতিহাসিক উদ্যোগে নিজের নাম জানাচ্ছেন।
এক বিশেষ স্মারক ট্যাটু নিয়ে খেলা
টুখেল বিশ্বকাপ জিতার স্মৃতিকে বাড়িয়ে তুলতে সবাই একটি বিশেষ ট্যাটু করার প্রস্তাব দিয়েছেন। এই ট্যাটু হবে রাজকীয় স্বরূপ। তার নকশায় সোনালি বিশ্বকাপ ট্রফি এবং ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী কিছু প্রতীক জুড়ে দেওয়া হবে। অ্যালান ডিট্রিখ বলেন, ‘টুখেল ভীষণ প্রতিযোগিতাপ্রবণ মানুষ, আবার মনেপ্রাণে একজন খাঁটি ভদ্রলোক। তিনি হুট করে বলে বসেছিলেন—দল যখন টুর্নামেন্ট জিতবে, তখন সবাই একটি ট্যাটু করাবে। এরপর আমাদের দিকে ঘুরে জিজ্ঞেস করলেন—তোমরা এখন আমাদের পার্টনার, তোমরা কি করবে?’
আমি আর জেক জীবনে কোনো দিন ট্যাটু করাইনি। কিন্তু টুখেলের চোখের সেই আগুন দেখে আমরা মুহূর্তেই বলে উঠলাম—হ্যাঁ, অবশ্যই করব! বাচ্চাদের এই গল্প শোনালাম, ওরা তো শুনে অবাক!
এ পরিকল্পনা ক্লাব ফুটবলে নতুন নয়। বড় শিরোপা জেতার পর কিংবা গভীর বন্ধুত্বের স্মৃতি ধরার জন্য দলের কিছু খেলোয়াড় দল বেঁধে ট্যাটু করেছেন। যেমন ২০২৩ সালে নারী বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের দুই সতীর্থ ব্রাইট ও র্যাচেল ড্যালি নিজেদের হাতে ‘১/২’ চিহ্নের ট্যাটু করিয়েছিলেন। এটি তাঁদের মধ্যে অপূর্ণতার চিহ্ন।
টুখেলের দলের ঐক্য গড়ার প্রচেষ্টা
টুখেল মনস্তত্ত্বের দিক থেকে ক্লাব আর জাতীয় দলের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফারাকটা কোথায় তা বুঝতে পারেন। জাতীয় দলে ফুটবলাররা আসেন ঘরোয়া ক্লাবগুলো থেকে। আমেরিকার অন্যতম নিরাপদ শহর হিসেবে কানসাস সিটি তাঁর দলের ঘাঁটি হিসেবে বেছে নিয়েছে। এখানে অত্যাধুনিক ক্রীড়া সুবিধা এবং চমৎকার ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে জানাচ্ছেন তিনি। থ্রি লায়ন্সরা সোয়োপ পার্কের মাঠে অনুশীলন করবেন। সেই মাঠটি চারবারের সুপার বলজয়ী কানসাস সিটির দুর্গ হিসেবে পরিচিত।
টুখেল দলকে এক অদৃশ্য সুতোয় বেঁধে দিতে চান। কিটম্যান থেকে শুরু করে হোটেলের বেলবয় পর্যন্ত সবাই এই মহাযজ্ঞের সমান অং
