বিশ্বকাপে কুরাসাওকে ‘সেভেন আপ’ খাইয়ে বরণ জার্মানির
ব শ বক প ক র স – বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রতিযোগিতার সুন্দর এক মুহূর্ত হিউস্টন স্টেডিয়ামে জার্মানি ও কুরাসাওয়ের মুখোমুখি হওয়ার পর ঘটেছে। দুই দলের সম্পর্কে আগে কেউ জানতেন না ক্যারিবিয়ান দ্বীপটির নাম। এই ম্যাচে কুরাসাওয়ের বিশ্বকাপ অভিষেকে ৭ গোল করে ছোট্ট দ্বীপ দেশটিকে আরও ভালোভাবে মনে রাখার সুযোগ করে দিল জার্মানি।
বিশ্বকাপে জায়গা পেয়ার পর কুরাসাওয়ের পরিচিতি বেড়েছে
৪৮টি দল হওয়ায় বিশ্বকাপে প্রবেশের সম্ভাবনা আরও বেড়েছে। কুরাসাও প্রমাণ করল সেটাই। তাদের জনসংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজার। বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়াটাই যেখানে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উৎসব, সেখানে একটি গোল কী করতে পারে! কাই হাভার্টজদের সাত গোলও যেটা করতে পারেনি, কুরাসাওয়ের লিভানো কোমেনেনসিয়া সেটা করতে পেরেছেন মাত্র এক গোলেই।
তাই কুরাসাওকে অন্তত জার্মানদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই।
হিউস্টনে যে ম্যাচে কয়েক হাজার ‘ব্লু ওয়েভ’ সমর্থক এবং দলটির বাইরে দক্ষিণ ক্যারিবিয়ান সাগরের একচিলতে ভূখণ্ডে এক লাখের কিছু বেশি কুরাসাওবাসী এ ম্যাচকে মনে রাখবেন জনম জনম।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অসমতা একটি চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের প্রতি
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নবম জার্মানির সঙ্গে ৭২ ধাপের ব্যবধানে পিছিয়ে কুরাসাও—যেটা ২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়া–আইভরিকোস্ট ম্যাচের পর সবচেয়ে বড় ব্যবধান। ইউলিয়ান নাগলসমানের দলটিও কুরাসাওকে ৭–১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে একটি বার্তা দিয়েছে, যেটা পঞ্চম গোলের পর থেকেই ধারাভাষ্যকার বলছিলেন, ‘জার্মানি নিজেদের ফিরে পেয়েছে!’
বিশ্বকাপের সেই ইতিহাসে কুরাসাও যে জার্মানির জাল খুঁজে পাবে, তা কি কেউ ভেবেছে ঘুণাক্ষরে! জার্মানি আসলে কুরাসাওয়ের স্পর্ধার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার পথে দলটিকে গুরুত্বপূর্ণ এক পাঠও দিয়েছে। বিশ্বকাপে ছোট দল বলে তিল পরিমাণ ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই। তা না হলে ২১ মিনিটে কুরাসাও সমত
