বিশ্বকাপের নাটাই কি ফিফার হাতে না ট্রাম্পের
ব শ বক প র ন ট – মাঠে বল গড়ার মাত্র আরও ৪৮ ঘণ্টার কম সময় বাকি আছে। চার বছর কয়েক সময়ে এই সময়টায় ফুটবলপ্রেমীদের বুকে যে রোমাঞ্চের ঢেউ জাগার কথা, ২০২৬ বিশ্বকাপে তা যেন ঢাকা পড়ে গেছে এক মহাসংকটে।
মাঠের বাইরের নানা বিতর্কে টুর্নামেন্টটি রূপ নিয়েছে এক সংকটের পরিচয়। কিন্তু তার সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি খেলেন আফ্রিকার শীর্ষ রেফারি ওমর আরতান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা পেয়ে স্বপ্নভঙ্গ ঘটায়।
বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত হয়েও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা হয়েছে আরতানের। সেই সময়ে মায়ামিতে পৌঁছেছিলেন তিনি অন্য ৫১ জন রেফারির সঙ্গে। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাঁকে টানা ১১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ফলে শেষ পর্যন্ত দেশে ফেরত পাঠানো হয় তাঁকে।
‘প্রত্যেক রেফারিরই স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপে যাওয়ার। যখন আপনি নির্বাচিত হন, তখন মনে হয়, বছরের পর বছরের সব পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।’
আরতানের দাবি, তাঁর সব কাগজপত্র ও ভিসা একদম ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের এক সিদ্ধান্তে সেই সার্থকতা ধূলিসাৎ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে না পেরে বিশ্বকাপে বাদ পড়লেন আফ্রিকার সেরা রেফারি।
ফিফার প্রতিনিধি প্রবেশে বাধা দেওয়া বিশ্বকাপের আগে অস্বাভাবিক ঘটনা
এ ঘটনা ফিফাকে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে। যেখানে টুর্নামেন্টের সেরা মেধাবীদের মেলবন্ধন হওয়ার কথা ছিল, সেখানে ফিফার নিজের প্রতিনিধির সাথে আপনাকে মার্কিন ইমিগ্রেশনের দাঁড়াতে হয়েছে।
‘আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারছি না, তবে কাস্টমস ও বর্ডার প্যাট্রোল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি সঠিক ছিল এবং আমি সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।’
হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নেতৃত্ব দেওয়া অ্যান্ড্রু গিলিয়ানি বিশেষ করে কাস্টমস ও বর্ডার প্যাট্রোলের নীতি সমর্থন করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত বিশ্বকাপে দর্শক ও কর্মকর্তাদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা বিশ্বকাপের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। অথচ মার্কিন ইমিগ্রেশনের কড়াকড়ি তার সাথে যুক্ত হয়েছে।
২০২৫ সালের জুনে কাফ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল পরিচালনা করেন আরতান। এরপর চিলিতে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচ পরিচালনা করেন সেই রেফারি। তার মধ্যে ছিল তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচও।
বছর শেষে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেও জেতেন তিনি আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (কাফ) বর্ষসেরা পুরুষ রেফারির পুরস্কার। সেই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে গত মার্চে তিনি পান ২০২৬ বিশ্�
