বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে এনপিএ বিক্ষোভ
ব দ য ৎ জ ব ল – শুক্রবার বিকেলে রাজধানী শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এনপিএ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। তাদের আট দফা প্রতিবেদনে সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে অসুবিধা হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নীতি নিয়ে আক্রোশ প্রকাশ করা হয়।
বাজার মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আপোেলন
বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের আলোচনা অব্যাহত থাকার কথা এনপিএ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য অনিক রায় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাজেট আলোচনায় কে ওয়াশিং মেশিন পাবে, কে মাইক্রোয়েভ ওভেন পাবে তা নিয়ে তারা ব্যস্ত। এই বৃদ্ধি বিশেষ করে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হাজার হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে সরকার।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম যখন সর্বনিম্ন হয়েছিল, তখনো বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় সাধারণ মানুষের প্রতি অবমাননা হিসেবে গণ্য হয়।
বিদ্যুৎ খাত পরিচালনা নিয়ে দাবি
বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হবে বলে দ্বিতীয় দাবি জানানো হয়। অন্য দাবি হচ্ছে বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের জন্য প্রগ্রেসিভ রেট চালু করা। তৃতীয় দাবি হচ্ছে সারা দেশের ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলারের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নীতিমালা তৈরি করা।
জনগণের জীবন গ্রাহক বৃদ্ধি নিয়ে বিশ্লেষণ
আঞ্চলিক সংঘাত এড়িয়ে নেপাল ও ভুটান থেকে সস্তায় জলবিদ্যুৎ আমদানি করা এবং দেশীয় গ্যাস খুঁজতে খুঁজতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পূর্ণাঙ্গ ভ্যালু চেইন বিশ্লেষণ করা হবে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক খবরদারি থেকে মুক্ত করা এনপিএ দাবি জানায়।
আট দফা দাবির প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অদক্ষতা ও লোডশেডিং বিষয়ে জনগণের বিদ্যুৎবঞ্চনা প্রতি নীতি প্রণয়
