বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পক্ষে সুপারিশ, ভোক্তার বিরোধিতা
ব দ য ত র দ ম – বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি কমিটি বিদ্যুতের পাইকারি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব পেশ করেছে। বিদ্যুৎ খাতের প্রতি ইউনিটে ঘাটতি বৃদ্ধি করা হবে বলে মনে করা হয়েছে এই প্রস্তাবে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) বর্তমান দামে প্রতি ইউনিটে প্রায় ৫ টাকা ৪৭ পয়সা ঘাটতি হবে বলে প্রস্তাব দিয়েছে। তার মূল্যায়ন করে কমিটি মনে করেছে ভারিত গড়ে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ দাম বাড়ানো প্রয়োজন।
গণশুনানিতে বিদ্যুৎ খাতে অদক্ষতা ও সিস্টেম লস কারণে ভোক্তারা প্রতিবাদ জানায়। তারা বলেন, পিডিবি বিলম্বিত প্রকল্প ও লুণ্ঠনমূলক ব্যয়ের কারণে বিদ্যুৎ দাম বাড়ানো যাবে না।
পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়লে ভোক্তা পর্যায়েও দাম বাড়াতে হবে। এটি মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই দাম বাড়ানোর বিরোধিতা করে ভোক্তা প্রতিনিধিরা বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতের অযৌক্তিক খরচ ভোক্তার ওপর চাপানো যাবে না।
শুনানির আয়োজন করেছে বিইআরসি। এ রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় এ সভা। গণশুনানিতে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বিদ্যুৎ দাম না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে দাবি করেছে।
বিদ্যুৎ খাতে অদক্ষতা, সিস্টেম লস, বিলম্বিত প্রকল্প, অতিরিক্ত ও লুণ্ঠনমূলক ব্যয় এবং ক্যাপাসিটি চার্জের বোঝা সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপানো উচিত নয় বলে ক্যাব এ বক্তব্যে দাবি করেছে। যেহেতু দাম বাড়লে শিল্প, কৃষি, পরিবহনে খরচ বাড়বে, শেষ পর্যন্ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আরও জানিয়েছে।
পিডিবি সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চুক্তি অনুসারে নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয়। উৎপাদন খরচের চেয়ে কিছুটা কমে সরকার নির্ধারিত পাইকারি দামে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে। ঘাটতি মেটাতে হলে সরকারের ভর্তুকি নেয় পিডিবি।
বিতরণ সংস্থাগুলো কোনো ভর্তুকি পায় না। তারা খুচরা দামে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে কোম্পানি চালায়। আগামী জুন থেকে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে পিডিবি। কারিগরি কমিটি এ নিয়ে কোনো মত দেয়নি।
সিস্টেম লস ও অদক্ষতার কারণে পিডিবি �
