বাজারে আসছে ট্রাকভর্তি আম, হিমসাগর, ল্যাংড়া, রুপালি —কোনটির কেমন দাম
ব জ র আসছ ট র কভর – ঈদের ছুটি শেষ হয়েছে এবং সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলো পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। চট্টগ্রামের ফলের বাজারে নগরজীবনের সামান্য বদল দেখা যাচ্ছে। স্টেশন রোডের ফলমন্ডিতে চিরচেনা ব্যস্ততা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একের পর এক ট্রাক আড়তে ঢুকছে। ট্রাক থেকে নামানো হচ্ছে আমভর্তি ক্রেট। শ্রমিকেরা মাথায় করে সেগুলো দোকানের সামনে নিয়ে যাচ্ছেন।
চারদিকে আমের মিষ্টি গন্ধ। বিভিন্ন আড়তে হিমসাগর আমের নিলাম চলছে। একজন বিক্রেতা ৫০ টাকা দিয়ে চলছেন। আবার কেউ ৫১ টাকা বলেন। এরপর এগুলো ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত দর কেজি ভিত্তিতে ৫৬ টাকায় থামে।
ঈদের ছুটির পর আমের বেচাকেনা পুরোদমে শুরু হয়েছে। আম সরবরাহ বেড়েছে বলে দাম কমছে। ঈদের আগে হিমসাগর ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হত। এখন একই আম কেজি ভিত্তিতে ৫৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। দাম আরও কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে রাজশাহী, নাটোর, সাতক্ষীরা ও চুয়াডাঙ্গা থেকে আম সরবরাহ হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে প্রতিদিন এক থেকে দুই ট্রাক আম এলেও ঈদের পর সেই সরবরাহ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। প্রতি ট্রাকে প্রায় ৫০০ ক্রেট আম আসে। ক্রেটে গড়ে ২৫ কেজি। অর্থাৎ প্রতিটি ট্রাকে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কেজি আম বাজারে পৌঁছছে।
বাংলাদেশের আমের প্রধান উৎপাদন অঞ্চলগুলো থেকে চট্টগ্রামের বড় ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান কিনে আম সংগ্রহ করছেন। মে মাসে গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাতি ও হিমসাগরের মৌসুম শুরু হয়। জুন জুড়ে বাজারে আরও জাত আসবে। এতে ফলের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পাবে।
ফলমন্ডির পাইকারি বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাহিদা হিমসাগরের। কেজি ভিত্তিতে দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। এরপর রয়েছে ল্যাংড়া। দাম একই স্তরে রয়েছে। বারি-৪ আম ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। রুপালি আম কেজি ভিত্তিতে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাটিমন আম পড়ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা
