Uncategorized

বাংলাদেশে ইউটিউব দেখে আঙুর চাষে কেউ সফল, কেউ সর্বস্বান্ত হন কেন

ইউটিউব দেখে আঙুর চাষ শুরু করেন কৃষক, কিন্তু কেউ সফল, কেউ সর্বস্বান্ত হন ব ল দ শ ইউট উব দ - নওগাঁয় বাস করেন সালাহ উদ্দিন যারা ২০১২ সালে আঙুর চাষ শুরু করেন।

Desk Uncategorized
Published June 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইউটিউব দেখে আঙুর চাষ শুরু করেন কৃষক, কিন্তু কেউ সফল, কেউ সর্বস্বান্ত হন

ব ল দ শ ইউট উব দ – নওগাঁয় বাস করেন সালাহ উদ্দিন যারা ২০১২ সালে আঙুর চাষ শুরু করেন। তিনি ক্রিমসন সিডলেস ও মেনিন্ডি সিডলেস জাতের আঙুর চাষ করেন এবং সাফল্য অর্জন করেন। কিছু থোকায় আঙুর উৎপাদন ৯০০ গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছেছিল। স্বাদও ছিল মূল্যবান। আঙুর চাষের জন্য তিনি দুই বার জাতীয় পুরস্কার পান।

চার বছর পর সালাহ উদ্দিনের বাগানে মাটিবাহিত নেমাটোডের আক্রমণ শুরু হয়। ধীরে ধীরে গাছে ফল ধরা বন্ধ হয়ে যায়। নানা প্রচেষ্টার মধ্যেও সমস্যা থেকে বের হতে পারেননি তিনি। কৃষিকাজ দিয়ে পেশাজীবন শুরু করেছিলেন সালাহ উদ্দিন। আগে স্ট্রবেরি চাষ করে সাত লাখ টাকা আয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু আঙুর চাষে বেশি অর্থ ব্যয় হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন তিনি। এখন তিনি মশার কয়েলের ডিলারশিপে ব্যবসা চালাচ্ছেন।

“কৃষি বিভাগ কৃষকের হাতে একটা জাত তুলে দেবে, এরপর কৃষকেরা উৎপাদনে যাবে—এটাই হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমাদের দেশে আবহাওয়ার উপযোগী একটা টেকসই জাত ও চাষপদ্ধতি খুঁজতেই কৃষকের জীবন শেষ।”

এখন বাংলাদেশে কিছু কৃষক আঙুর চাষে সফলতা অর্জন করছেন। কিন্তু সেই সফলতার পথে অনেক কৃষকের জন্য ক্ষতির ইতিহাস রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইউটিউবে সাফল্যের গল্প দেখে অনেক কৃষক চারা কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, ফলের চেয়ে চারা বিক্রি করে বেশি লাভবান হয়েছেন।

বাগমারা উপজেলার কৃষক ও ডিলার সফলতা অর্জন করেছেন

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের কর্মকর্তা রুহুল আমিন ২০২০ সালে আঙুর চাষ শুরু করেন। দুই বছরের মধ্যে তিনি বাণিজ্যিক উৎপাদনে সফল হন বলে দাবি করেন। ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের মাধ্যমে চারা সংগ্রহ করেন তিনি। বর্তমানে তাঁর কাছে শতাধিক জাতের আঙুর রয়েছে। তিনি প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লাখ টাকার আঙুর ও চারা বিক্রি করেন।

রাজশাহীয় বাগমারা উপজেলার কৃষক ইমাম হাসান সাগরও এক বছরে সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, চারা বিক্রি থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা আয় করেছেন এবং আঙুর বিক্রি থেকে ১০ লাখ টাকা। �

Leave a Comment