বাংলাদেশের শ্রমবাজারে বেকারত্বের যে সাত রূপ
ব ল দ শ র শ রমব – রাকিবুল ইসলাম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করতেন। অতিরিক্ত ওভারটাইমের চাপ ও অনিয়মিত বেতনের কারণে তিন মাস আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। এখন তিনি কাজ খুঁজছেন ঘর্ষণমূলক বেকারত্বের শিকার হিসেবে। শ্রম অর্থনীতির ভাষায় বাংলাদেশের বেকারত্ব আরও গভীর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। শিক্ষার্থীদের শ্রমবাজারে প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষতা সৃষ্টি করতে পারে না, তখনই এই সংকট ঘটে।
১. কাঠামোগত বেকারত্ব
শিক্ষিত শ্রমিকদের জন্য এটি সবচেয়ে বড় প্রতিকূলতা। বিবিএস অনুযায়ী, দেশে স্নাতক ডিগ্রি ধারী বেকারের সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ৮৫ হাজার। অর্থাৎ প্রতি তিনজন বেকারের একজন উচ্চশিক্ষিত। জরিপে দেখা গেছে শিক্ষাব্যবস্থা যখন বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারে না, তখন তৈরি হয় এই সংকট। বিজিএমইএর তথ্য বলছে গত দুই বছরে ৩৫৩টি কারখানা বন্ধ হয়েছে, ফলে ১ লাখ ১৯ হাজার শ্রমিক বেকার হয়েছেন।
চাকরির বৈচিত্র্য কম হওয়ায় মানুষ নিরুপায় হয়ে একই কাজে যুক্ত থাকছেন।
২. আংশিক বা অর্ধবেকারত্ব
বাংলাদেশে আংশিক বেকারত্বের সংখ্যা ৬৪ থেকে ৬৭ লাখ। কাজ আছে কিন্তু দক্ষতা বা সময়ের পূর্ণ ব্যবহার হয় না। উদাহরণস্বরূপ, স্নাতকোত্তর ডেলিভারি বয় হিসেবে কাজ করছেন বা শিক্ষিত তরুণ দিনে দুই ঘণ্টা টিউশন দিচ্ছেন। এই অবস্থায় বাস্তব অর্থে দক্ষতা ক্ষয় ঘটছে কিন্তু বেকার নয়। গ্রামীণ খাতে এটি সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়।
৩. চক্রাকার বেকারত্ব
অর্থনৈতিক মন্দা বা উৎপাদন কমে গেলে প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মী ছাঁটাই করে। এই কারণে এক মানুষ কাজ হারিয়েছেন। করোনাকালে দেশে অন্তত ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ কর্মহীন হয়েছেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি
