বারদুয়ারী হাটে অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস
বগ ড র শ রপ র র – বগুড়া শেরপুরের বারদুয়ারী হাটে অবৈধভাবে নির্মিত ছয়টি দোকানঘর সরকারি সংস্থার সংহতি প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এক্সক্যাভেটর ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনাগুলো দূর করেছে, যে কাজটি গত রোববার বিকেল পাঁচটার পর শুরু হয়েছিল এবং সন্ধ্যার পর সমাপ্ত হয়েছিল। এই অপারেশনের প্রতিবেদন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু, যিনি বলেন যে পৌরসভার সম্পত্তি দখলে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় নির্ধারণ করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ভবিষ্যতে এই হাটে অবৈধ স্থাপনা করার চেষ্টা করলে সমান ধরনের অভিযান চালানো হবে।
অপারেশনের প্রক্রিয়া এবং পরিস্থিতি
সরকারি স্থান দখল করে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মিত হওয়া ছয়টি ঘরের পাশে এক বছরের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়েছিল। সেই স্থানে প্রায় তিন মাস আগে মো. আজাহার নামে এক ব্যক্তি পাকা ঘর তৈরি করেছিলেন। তাঁর ছেলে আকাশ দাবি করেছিলেন যে ঘরটি সরকারি লিজ ব্যবস্থার মধ্যে তৈরি হয়েছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই সম্পর্কে প্রথম আলো পত্রিকায় গত জুন ২৩ তারিখে খবর প্রকাশ হয়। সেই খবরের পর থেকে উপজেলা প্রশাসন বারদুয়ারী হাটে অবৈধ স্থাপনা নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা চালু করেছিল।
বারদুয়ারী হাটের দুই ব্যবসায়ী জানান যে আগে ছোট দোকান তুললে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সেগুলো ভেঙে দিত। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল, যার কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিল না। তাদের বিষয়টি আইনে ধ্বংস করার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল।
অপারেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি প্রভাব দখল করা প্রায় সাত মাসের মধ্যে বারদুয়ারী হাটে ছয়টি দোকানঘর স্থাপন করা হয়েছিল। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সরকার স্থানীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিল যে দোকানঘরগুলোকে বারদুয়ারী হাটে উচ্ছেদ করা হবে। কারণ সেই স্থানে অবৈধ ব্যবস্থাপনা প্রায় তিন মাস ধরে চলছিল, যেখানে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দোকান অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
