ফেসবুক লাইভে বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযোগ তুলে দেন কলেজ শিক্ষক
টাঙ্গাইলের সখীপুর কলেজের প্রভাষক ফেসবুকের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ করেন
ফ সব ক ল ইভ এস ব – টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বড়চওনা-কুতুবপুর কলেজের প্রভাষক সারোয়ার আলম ফেসবুক লাইভে এসে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় নিজের পরিবারের বিরুদ্ধে কর্মকর্তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একের পর এক মামলা করেছে। পরিবারের নামে এলাকায় তিনটি বৈদ্যুতিক মিটার রয়েছে বলে তিনি জানান।
গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর সখীপুর বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা তাঁর বাবার মুঠোফোনে কল করে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধের পর তিনি ৭০ দিন কারাভোগ শেষে মুক্তি পান।
তাঁর আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানান সারোয়ার আলম। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে গ্রামের বাড়ির মিটারের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। সারোয়ার আলম বলেন, ‘আমি মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে চাই।’ তবে সখীপুর পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী আবুবকর তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
প্রথম আলোকে তিনি বলেন, সারোয়ার আলমের গ্রামের বাড়ি ও নলুয়া বাজারের দুটি মিটারের আওতায় দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হলেও বিল পরিশোধ করা হয়নি। পরে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করায় তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘একটি মামলার বিল পরিশোধ করে সারোয়ার আলম কারামুক্ত হয়েছেন। অন্য মামলার বকেয়া বিল পরিশোধ করলেও তাঁর কোনো সমস্যা হবে না। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করলে তাঁকে পালিয়ে থাকতে হবে না। আমরা তাঁকে কোনো হয়রানি করছি না। বরং তিনি আমাদের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য প্রচার করছেন।’
শিক্ষকের চাকরি ও পরিবারের দুর্দশা
বর্তমানে সারোয়ার আলম একটি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত থাকলেও এমপিওভুক্তি থেকে কোনো বেতন পান না। তাঁকে বাবার ওপর নির্ভর করতে হয়। গ্রেপ্তারের ভয়ে তিনি পরিবারের সঙ্গে ঈদও করতে পারেননি এবং নিয়মিত কলেজে যেতে পারছেন না। তিনি লাইভে স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সারোয়ার আলম নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তবে বিদ্যুৎ বিভ
