Uncategorized

ফাঁদে ফেলে বাবাকে খুন করেন ছেলে, লাশ ফেলা হয় জঙ্গলে

ফাঁদে ফেলে বাবাকে খুন করেন ছেলে, লাশ জঙ্গলে ফেলে দেন ফ দ ফ ল ব ব ক - বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব চাম্বল এলাকায় অবস্থিত বাবুর্চি পেশার মীর মুজিবুর রহমান (৬০) নামের

Desk Uncategorized
Published June 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ফাঁদে ফেলে বাবাকে খুন করেন ছেলে, লাশ জঙ্গলে ফেলে দেন

ফ দ ফ ল ব ব ক – বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব চাম্বল এলাকায় অবস্থিত বাবুর্চি পেশার মীর মুজিবুর রহমান (৬০) নামের এক ব্যক্তির লাশ গত দুই বছর আগে হালিশহর রিংরোড এলাকার জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়। পুলিশ তখন তাঁর পরিচয় নির্ণয় করতে পারেনি এবং অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে দাফন করে ফেলেছিল।

তাঁর স্ত্রী রোকেয়া বেগমের বাড়িতে দুই সন্তান রয়েছে। তাঁদের একজন বেলাল হোসেন। ছেলেটি মুঠোফোনে কথা বলে বাবার সম্পত্তি বিক্রির পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি কয়েকদিন আগে এক নারী বন্ধুর মাধ্যমে তাঁর বাবাকে ফাঁদে ফেলেছিলেন। এরপর কৌশলে সেই নারী বন্ধুর বাসায় ডেকে আনা হয়। ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাঁকে অচেতন করে গাড়িতে নিয়ে বাইরে পাঠানো হয়।

মুজিবুর রহমান প্রথম স্ত্রীর দুই সন্তানকে ক্ষুব্ধ করেছিলেন যখন তাঁর মালিকানায় থাকা সম্পত্তি বিক্রি করতে শুরু করেন। তিনি সামান্য ভিটেমাটি বাকি রাখার চেষ্টা করছিলেন এবং নারী বন্ধুকে সহায়তা করার জন্য তাঁর মুঠোফোন নম্বর নিজের সেই নারী বন্ধুকে দেন।

পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মুঠোফোনে পরিচয় হওয়া নারীর সঙ্গে মুজিবুর খোঁজ নিয়েছিলেন চট্টগ্রাম নগরে। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ক্যানসার রোগী ছিলেন। সেই কারণে মুজিবুর তাঁর বাসায় যাওয়া হয়। নারী বন্ধুর বাসায় তাঁকে পরিচয় হওয়া সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় অবস্থান করে বেলালের ভায়রা আবদুল জলিল।

নগরের লালদিঘি পাড় এলাকায় থেকে একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস চালাইয়ে সিআরবিতে নিয়ে যাওয়া হয় মুজিবুরকে। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাঁকে খুন করে লাশ সড়কের পাশের জঙ্গলে ফেলে দেন ছেলে। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করলেও সার্থক পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি।

মুজিবুরের খোঁজ না পেয়ে তাঁর মেয়ে সালমা বেগম গত ১০ জুলাই আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদীর অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করে কোতোয়ালি থানাকে তদন্ত শুরু করে। পিবিআই আরেক পরিদর্শক মর্জিনা আক্তার বলেন, বাবাকে খুন করার পর ছেলেটি পলাতক ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

বেলাল হোসেন পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন। তবে মাইক্রোবাসও চালাতেন তিনি। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বাবাকে খুনের বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন তিনি। বাবার জন্ম এবং মৃত্যুর সম্পর্কে সব তথ্য সঠিক রাখা হয়েছে।

Leave a Comment