প্রেমময হজের অনন্য ৫ পুরস্কার: ধর্মীয় আবেদন এবং বিশ্বাসের ক্ষমতা
হজের মূল্যবান স্বাক্ষর এবং প্রেমময পুরস্কারগুলি
প র মময হজ র অনন য – প্রেমময হজের অনন্য ৫ পুরস্কার হলো ইসলামের মূলনীতি হিসেবে পাঁচটি স্তম্ভের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। শ্বেতশুভ্র ইহরাম কাপড় সজ্জিত হয়ে হাজিরা বান্দাদের জবান হতে শোনা যায় ধ্বনি ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ যে দিয়ে তাদের আত্মপ্রকাশ হয়। আল্লাহর আহবাব হিসেবে হাজিরা মাতোয়ারা হয়ে মুমিনদের কাছে কাবার পবিত্র স্থানে পৌঁছানোর বিনিময়ে তাদের ভালোবাসা গভীরতর হয়। প্রেমময হজের অনন্য ৫ পুরস্কার হলো ধর্মীয় সামর্থ্যের প্রতিশ্রুতি এবং বিশ্বাসের সূত্র।
কোরআনে লিপিবদ্ধ হয়েছে, ‘মানুষের মাঝে যারা বাইতুল্লাহ শরিফে পৌঁছার সামর্থ্য রাখে তাদের ওপর হজ ফরজ করা হয়েছে।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯৭) এই বাক্য দিয়ে প্রেমময হজের অনন্য ৫ পুরস্কার একটি মূল্যবান ধর্মীয় আবেদন হিসেবে স্থাপিত হয়।
প্রেমময হজের অনন্য পুরস্কার ও ইসলামের স্তম্ভ
ইসলামের মূলনীতি হিসেবে পাঁচটি স্তম্ভের একটি হলো হজ। রাসুল (সা.) আমাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটি, এগুলো হলো: আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; নামাজ পড়া; জাকাত আদায় করা; হজ সম্পাদন করা এবং রমজানের রোয়া রাখা।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৮) প্রেমময হজের অনন্য ৫ পুরস্কার নিয়ে তিনি বলেছেন যে এটি সর্বোত্তম জিহাদ হিসেবে গণ্য।
রাসুল (সা.) আরও বলেছেন, ‘হজে মাবরুর হলো তোমাদের জন্য সর্বোত্তম জিহাদ।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৬) এই বাক্য দিয়ে প্রেমময হজের অনন্য ৫ পুরস্কারের মূল্যবান স্বাক্ষর বোঝানো হয়েছে।
হজের প্রতি বছর পালন এবং প্রেমময পুরস্কার
হজ সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর একবার ফরজ। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘হে জনগণ, তোমাদের ওপর হজ ফরজ করা হয়েছে; অতএব তোমরা হজ করো।’ কোনো ব্যক্তি প্রতি বছর তা পালন করতে পারে না এমন দিনে রাসুল (সা.) নীরব থাকেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘
