প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু, মন্ত্রী জানালেন
প র থম ক ৩৬ হ জ – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শূন্য থাকা প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে যেহেতু দেশের সর্বোচ্চ আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আজ মধ্যেই সরকারি কর্মকমিশনে চাহিদা পাঠাবে। আপিল বিভাগ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন যে আপিল বিভাগ প্রাথমিক শিক্ষার জন্য নতুন পদ নিয়োগের রায় দিয়েছে।
আপিল বিভাগের রায়ের পরিণতি
আপিল বিভাগ সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া শিক্ষকদের বিধিমালা অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার সংক্রান্ত বিধি অবৈধ ঘোষণার রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করেছে। আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার রায় দেয় যার পর মন্ত্রণালয় প্রক্রিয়া শুরু করে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দশম গ্রেডের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়ার পর সহকারী শিক্ষক পদগুলো আবার শূন্য হবে। তিনি জানান যে উচ্চ আদালতের রায় স্বীকৃতি পেলে এখন প্রাথমিক স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ রায়ের ফলে প্রাথমিক স্কুলে এখন প্রাথমিক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন না বলে অনুমান করা হচ্ছে। বর্তমানে সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য আছে ২২০০ এর বেশি। তবে আপিল বিভাগ সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হলে সহকারী শিক্ষক পদগুলো সংখ্যাগুলো আবার শূন্য হবে।
নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে আশা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে জানান যে বিশেষভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি নতুন করে পুনরায় নিয়োগের জন্য পিএসসিকে চাহিদা পাঠানো হবে। তিনি বলেন, আপিল বিভাগের রায় মঞ্জুর হওয়ার পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি দশম গ্রেডের। সেই কারণে পিএসসিতে ফাইল পাঠাতে হবে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজারের বেশি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল যে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উচ্চ আদালতের রায়ের পর পিএসসি আপিল মঞ্জুর করেছে যার ফলে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হবে।
পূর্বে ২০১৭ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আপিল করা হয়। হাইকোর্ট প্রাথমিক শিক্ষার জন্য নিয়োগ বিধির অংশবিশেষ সংবিধানে সাংঘর্ষিক বলে ঘোষণা করেছিল। আপিল বিভাগ ২০২২ সা�
