প্রাথমিকে যোগদানে তিন দফা দাবি সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের
প র থম ক য গদ ন – ২০২৬ সালের ১০ জুন বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা তিনটি দাবি জানায়। প্রায় পাঁচ মাস বাকি রাখা হলেও এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের আরো দুটি দাবি হলো এনএসআই রিপোর্টের ব্যাখ্যা প্রদান ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পদায়নের জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ।
প্রশিক্ষণ ও সুস্পষ্ট নীতিমালা দাবি
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, প্রার্থীদের বিদ্যালয়ে পদায়ন করার পর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়। কেউ প্রশিক্ষণের সময় অসুস্থ হলে সুস্পষ্ট নীতিমালা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা আবশ্যক। প্রার্থীদের মধ্যে একটি জন বলেন, ‘আমাদের দাবি হলো বিদ্যালয়ে পদায়নের পর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা। গর্ভবতী এবং নারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কার্যকর নীতিমালা প্রদান করতে হবে।’
নির্বাচিত প্রার্থীদের সমস্যা
জামালপুর থেকে আগত এক প্রার্থী বলেন, ‘আমি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এই চাকরির জন্য অন্য চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি। চার মাস ধরে প্রক্রিয়াটি অব্যাহত থাকায় ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। নিয়োগ না হওয়ায় গত মাসে আমার বিয়ে ভেঙে গেছে।’
নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরিস্থিতি
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ৮ তারিখে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী। তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ যাচাইয়ের কাজ গত মার্চ ১ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন হয়। নিয়ম অনুযায়ী তাদের পদায়ন করা উচিত ছিল, কিন্তু প্রক্রিয়াটি চার মাস ধরে অব্যাহত থাকায় বিদ্যালয়ে যোগদান না হওয়া জন্য প্রার্থীরা তিন দফা দাবি জানায়।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও তাদের চূড়ান্ত পদায়ন করা হবে পিটিআই প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর।
