প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আগে যোগদানের সুযোগ চাওয়া হচ্ছে
প রশ ক ষণ র আগ য – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ শেষে স্থায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়, যাতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী। এরপর থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সনদ যাচাইয়ের কাজ চলছে।
বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া অগ্রগতি পাচ্ছে। কিন্তু তারপর দুই মাস ধরে প্রক্রিয়াটি প্রায় স্থায়ী হয়ে আছে। সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন, যার ফলে তাঁদের বৃত্তি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সম্ভাবনা সন্দেহ জনিত।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানান, প্রক্রিয়াটি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার মুতাবক চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে। কিন্তু প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁদের চূড়ান্ত পদায়ন করা হবে।
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক দ্বারা পিটিআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। সরকার প্রস্তুতি পূরণের পর সুপারিশপ্রাপ্ত কর্মীদের স্থায়িত্ব দেওয়ার জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রতি এ আবেদন জানানো হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগপ্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে চলছে, যার ফলে প্রার্থীরা আন্তরিক আশা ও চাপে আবদ্ধ রয়েছেন। কিছু প্রার্থী পূর্ববর্তী কর্মে বিচ্ছুদ্ধ হয়ে শিক্ষক পেশায় যোগদানের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন, কিন্তু তাঁদের কোনো স্থায়ী স্থান পাওয়া যাচ্ছে না।
“পুরো প্রক্রিয়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার মুতাবক পরিচালিত হচ্ছে। ভেরিফিকেশন শেষ হলে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে, কিন্তু চূড়ান্ত পদায়ন হবে পিটিআই প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হওয়ার পর বলে ঘোষণা করা হয়েছে,” মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বলেন।
এতে সরকার আরও বলেন, সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের স্থায়ী কর্ম না দিলে জীবিকা ও ভবিষ্যতের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ হবে না। অতএব তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য এখনই কাজ শুরু করা উচিত।
সরকারি ব্যাংকে ৯০৩ সিনিয়র অফিসার পদে চাকরি প্রকাশ করা হয়েছে। এ তথ্য নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও প্রয়োজনীয় বিবরণ প্রদান করে।
