পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ জয়ের জার্সি নিলামে
নিলামের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে বিখ্যাত বিশ্বকাপ জার্সি
প ল র ১৯৫৮ ব শ বক – পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ জয়ের জার্সি বর্তমানে বাংলাদেশি নিলাম প্রতিষ্ঠান ‘সদবিস’ তাদের ঐতিহাসিক সামগ্রী বিক্রি করতে চলতি বছরের বিশ্বকাপ পর্বের সময় নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এই নিলামে পেলের সেই জার্সি একটি প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত হবে যখন তিনি মাত্র ১৭ বছর বয়সে সুইডেনের বিপক্ষে দুটি গোল করে বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জন করেন। এই জার্সি এত আকর্ষণীয় যে এটি বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল পেলের ক্রিকেট কিংবদন্তি মারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ জার্সির রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছিল যে ক্রমে এই নিলামের আসল মূল্য বাড়তে চলেছে।
জার্সির ইতিহাস এবং সংরক্ষণ প্রক্রিয়া
পেলে তাঁর বন্ধু দিদাকে বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তে এই জার্সি উপহার দেন। দিদার পরিবার যথেষ্ট পরিচিতি অর্জন করেছিল এবং এই জার্সি একটি জাদুঘরে স্থান পায়। নিলাম সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে এটি নিউইয়র্কের সদবিস ব্রয়ার ভবনে সাধারণ দর্শকদের জন্য স্মারক প্রদর্শনের পর চালু হবে। এই প্রক্রিয়ায় বিশ্বকাপ জয়ের জার্সি অনেক কোটি টাকার মূল্য পেতে পারে যেহেতু পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ জয় তাঁর ক্রিকেট জীবনের প্রথম সুপ্রাচীন ক্ষমতা স্বীকৃতি হিসেবে ধরা হয়।
এই নিলামে আরও আকর্ষণীয় উপাদান অন্তর্ভুক্ত হবে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৮৬ সালে মারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ম্যাচে পরা আর্মব্যান্ড এবং লিওনেল মেসির ব্যবহৃত ক্রীড়াসামগ্রীও অন্তর্ভুক্ত হবে। পেলের জার্সির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ লাখ ডলারের বেশি হতে পারে যেহেতু এটি বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক মূল্য প্রতিফলিত করে। বিশ্বকাপ জয়ের পর পেলে তাঁর সাথে দিদার সম্পর্ক বিস্তার করে এবং এই জার্সি একটি পরিচিত প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করা হয়।
বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে যে ভিডিও কাঁদাল আনচেলত্তিকে
পেলের জার্সি তাঁর ক্রিকেট জীবনের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা সংক্রান্ত বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি একটি ঐতিহাসিক উপাদান যেহেতু তাঁর প্রাথমিক ক্রিকেট ক্ষমতা প্রকাশ করে। এই জার্সি অনেক সময় অনুষ্ঠানের সময় এবং মূল্য স্থির করে এটি একটি সংরক্ষণের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্বকাপ জয়ের স্মারক হিসেবে রয়েছে। বিশ্বকাপের পর পেলের ক্রিকেট জীবন এবং সেই জার্সি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত করা হয়েছে যার মাধ্যমে বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক মূল্য উঠে �
