পৃথিবীর বয়সের ধারণা পাল্টে দেয় সিকার পয়েন্ট
প থ ব র বয়স র ধ – স্কটল্যান্ডের বেরউইকশায়ারে উপকূলের ওপর দিয়ে স্থাপিত একটি নতুন দর্শনার্থী পথ এখন সাধারণ পৃথিবীর বয়সের ধারণা পরিবর্তনের সাক্ষী হিসেবে বিশেষ স্থান অর্জন করেছে। এই পথটি নামকরণ করা হয়েছে ‘ডিপ টাইম ট্রেইল’ যা জেমস হাটনের ৩০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খোলা হয়েছে। হাটন ছিলেন পৃথিবীর বয়সের ধারণা পরিবর্তনের পিতা বলে পরিচিত, যাঁর কারণে বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে বিশ্বাসের সীমা পরিবর্তিত হয়েছিল। ডিপ টাইম ট্রেইল দর্শনার্থীদের নিয়ে যায় তার আবিষ্কৃত একটি শিলাস্তরে, যেখানে তিনি পৃথিবীর বয়স যে মানুষের কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে তার প্রমাণ পেয়েছিলেন। এই পরিদর্শন করার সৌভাগ্য ছিল স্কটিশ লেখক ও সাংবাদিক স্টুয়ার্ট কেনি এর সাথে সাক্ষাৎ করার সময়।
পৃথিবীর বয়সের ধারণার ইতিহাস
পৃথিবীর বয়সের ধারণার পরিবর্তন ছিল মানুষের ধারণার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কিছু শতাব্দী আগে ধর্মগ্রন্থগুলো পৃথিবীকে মানুষের সৃষ্টি হওয়ার মাত্র সাত হাজার বছরের ভিত্তিতে বর্ণনা করেছিল। তবে জেমস হাটনের জন্ম দিন পালন করা হচ্ছে পৃথিবীর বয়স অসীম বলে মনে করার সম্পূর্ণ ধারণা প্রমাণ করা হয়েছিল। তিনি বেরউইকশায়ারের বিশেষ শিলাস্তরে অবস্থিত জায়গার উপর ভিত্তি করে ভূতত্ত্ব বিষয়ে পূর্ববর্তী ধারণাগুলো ধ্বংস করেছিলেন। তাঁর আবিষ্কার ছিল সময়ের বিস্তার ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীর বয়স নির্ণয় করা সম্ভব হবে এবং তার অবদান বর্তমানে এখনও গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে। ডিপ টাইম ট্রেইল ছিল তাঁর সেই শিলাস্তরকে ভেসে যাওয়া দর্শনার্থীদের জন্য একটি উপহার হিসেবে সাজানো হয়েছে।
হাটন ছিলেন বিশেষজ্ঞ যাঁর ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যে একটি বিশাল সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। তিনি জানতেন যে পৃথিবীর বয়স অবশ্যই মানুষের ধারণার চেয়ে বেশি হতে পারে। তাঁর কাজ ছিল ভূতত্ত্ব বিষয়ে একটি মূল মত প্রমাণ করা যে পৃথিবী কোনও অত্যাধুনিক সৃষ্টি থেকে সৃষ্টি হয়নি বরং সময়ের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়েছে। ডিপ টাইম ট্রেইল দর্শনার্থীদের সেই বিশেষ স্থানে নিয়ে যায় যেখানে হাটন পৃথিবীর বয়স অনেক বেশি হতে পারে তার প্রম
