পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের হঠাৎ পদত্যাগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হয়েছে
প র বত য মন ত র – সার্বিক আলোচনা ছাড়া দীপেন দেওয়ান এমন সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। তাঁদের ধারণা, মন্ত্রণালয় পরিচালনা, রাঙামাটি জেলার রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ এবং জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণে মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে কী কারণে পদত্যাগ করেছেন তা স্পষ্ট করে ব্যক্ত করার চেষ্টা করছেন সংসদ সদস্যদের মধ্যে সংঘটিত বিভক্তি।
বিএনপি সরকার গঠন করলে দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী নির্বাচন করা হয়। তাঁর বাবা সুবিমল দেওয়ান ছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা। মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি অনুসারীদের মধ্যে দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার ও পুনর্বহালের দাবি পেশ করেছেন রাঙামাটিতে সড়ক অবরোধ।
“দীপেন দেওয়ান মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে আলাপ করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে তিনি পরিস্থিতির উন্নয়ন জন্য চেষ্টা করেছেন বলে জানায় স্থানীয় নেতারা।”
মন্ত্রী পদ থেকে সরে আসার পর দীপেন দেওয়ান প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাতে তাঁর সঙ্গে ঘুরেছি, তাকে কখনো দুর্বল বা অসুস্থ দেখিনি বলে জানায় রাঙামাটি জেলার সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম ভুট্টো। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের চাপে দীপেন দেওয়ান সাময়িকভাবে পদত্যাগ করেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থাপন হয় ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই। পূর্বে সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। শান্তি ফিরিয়ে আনাই ছিল সেই চুক্তির প্রধান লক্ষ্য। পাহাড়ে সংঘাত বিস্তারিত আলোচনা ছাড়া মন্ত্রী পদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয় নি।
খাগড়াছড়ি জেলা সফরে গত ১১ মে দীপেন দেওয়ান প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তবে ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন না স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তাঁর জানান, আগে থেকে কোনো ইঙ্গিত পেয়েছিলেন না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীপেন দেওয়ান সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হন। তিনি জুলাই মাসে যুগ্ম জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছিলেন। এবার প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। রাঙামাটি, খাগড়াছড
