রোহিঙ্গাদের জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠবে পর্যাপ্ত সহায়তা ছাড়া: ইউএনএইচসিআর
পর য প ত সহ য়ত ছ – জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ঘোষণা করেছে যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবন মানবিক সহায়তার অভাবে আরও কঠিন হয়ে উঠবে। তারা বলেন কোনও সুষ্ঠু সহায়তা ছাড়া বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।
কক্সবাজারে সমস্যার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে
বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অবস্থা এখন এতটা দুর্গম হয়ে উঠেছে যে তাদের মানবিক সহায়তা কমে গেছে। ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র বাবর বালোচ জানিয়েছেন এই সময়ে বিশ্বের অস্থিতিশীলতা ও মানবিক সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাবর বালোচ বলেন, এ বছর মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গণহারে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুতির ৯ বছর পূর্ণ হবে।
সংহতি অব্যাহত থাকায় রোহিঙ্গাদের পুনরাবাসের সম্ভাবনা ক্রমে ক্ষীণ হয়ে আসছে। তাদের বেশির ভাগ বসবাস করছেন কক্সবাজারের শরণার্থীশিবিরে। অন্য দেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ বেছে নিচ্ছেন অনেক শরণার্থী। তাদের প্রাণহানির শঙ্কা আছে বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা কমে গেছে
গত মাসে জাতিসংঘ এবং এর অংশীদারেরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে। এটি রোহিঙ্গা শরণার্থী ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষায় বড় ধরনের অগ্রগতি করার জন্য।
বাবর বালোচ জানান, মিয়ানমারে সংঘাত ও সহিংসতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশে থাকতে হবে।
এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাশালী দেশ। এদের মর্যাদা ও ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদী ত্রাণসহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সম্প্রদায়ের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আর্থিক সহায়তা স্থায়ী হওয়ার দরকার
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মৌলিক চাহিদা পূরণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদার সহায়তা �
