পরিবারের সুখ ফেরাতে গিয়েছিলেন সৌদি আরব, ফিরলেন লাশ হয়ে
পর ব র র স খ ফ – সৌদি আরবে কর্মস্থলে ঘটে একটি দুর্ঘটনার কারণে মোহাম্মদ তুহিনুজ্জামান (৩৪) জীবন হারানোর পর তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে ফিরেছে। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের মধ্য ভাটিপাড়া গ্রামে বাস করতেন। প্রায় দুই বছর আগে তাঁর পরিবারের আর্থিক স্থিতি উন্নত করতে সৌদি আরবে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সেখানে তিনি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এসি রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করতেন।
২০ মে তুহিনুজ্জামান এসি পড়ে গুরুতর আহত হন। চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি এক সপ্তাহ পর মারা যান। মৃত্যুর প্রায় দেড় মাস পর গতকাল সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। সাত দিন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে থাকার পর তাঁর পরিবার তাঁকে দেশে আনেন। তাঁর পরিবার সৌদি আরবে পর ব র র স খ ফ করতে আশা করছিলেন।
ঘটনার প্রতিশ্রুতি কীভাবে বাস্তব হয়েছিল
তুহিনুজ্জামান সৌদি আরবে পর ব র র স খ ফ করার আশা দিয়ে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য। তিনি পরিবারের একমাত্র আয়কর্তা ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ফরিদা খাতুন এবং তিনটি সন্তানের জীবন পর ব র র স খ ফ করার প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে নির্ভর করেছিল। কিন্তু এক মুহূর্তে তিনি তাঁর পরিবারকে আবার ধর্ষণে ফেরত আনেন।
“মানুষটা বলেছিল, আর কয়েক বছর কষ্ট করলেই সংসারের সব অভাব দূর হবে। সন্তানদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়বে। কিন্তু সে সেই কথা রাখতে পারল না। এখন আমার ছোট দুই সন্তানকে নিয়ে কীভাবে বাঁচব, জানি না।”
তুহিনুজ্জামান ছিলেন পরিবারের একমাত্র আয়কর্তা। তাঁর স্ত্রী ফরিদা খাতুন, আট বছর বয়সী মেয়ে তাকিয়া খাতুন তামান্না এবং দুই বছর বয়সী ছেলে আব্দুল্লাহ আল তাওসীফকে রেখে গেছেন। তাঁদের দুঃখে স্থানীয় বাসিন্দারা অশ্রু ধরে রাখতে পারেন না। মৃত্যুর খবর গ্রামে স্তম্ভিত করে দেয়। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি সেই কারণে বেশ কষ্টকর ছিল।
সৌদি আরবে পরিবারের সুখ ফেরানোর স্বপ্ন
তুহিনুজ্জামান সৌদি আরবে যাওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পরিবারের সুখ ফেরানো। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করতেন। সেখানে তিনি বাণিজ্যিক কার্যে নিযুক্ত ছিলেন। কিন্তু এসি পড়ে তাঁর মৃত্যু ঘটায় সে ভবিষ্যত বিপর্যস্ত হয়ে যায়। ময়মনসিংহের পরিবারের সুখ ফেরানোর জন্য এই যাত্রা করেছিলেন তিনি।
মৃত্যুর পর স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর জানাজায় উপস্থিত হন। অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্ত্রী ফরিদা খাতুন স্বামীর
