নৈরাজ্য জিইয়ে রেখে নিরাপত্তার আশা বৃথা
ন র জ য জ ইয় র – নৈরাজ্য জিইয়ে রেখে নিরাপত্তার আশা বৃথা হতে পারে বলে মনে হচ্ছে। ঈদুল আজহার ছুটির সময় সড়ক দুর্ঘটনার প্রবাহ বাড়ছে যে প্রতিদিন রোদে সামনে আসছে। প্রথম আলো পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী ছুটির সপ্তাহে দেশের সড়কে প্রাণ হারানো হয়েছে ৭৯ জন মানুষের এবং আহত হয়েছেন ১৩৫ জন। এ ধরনের ভয়াবহ দুর্ঘটনার মধ্যে ছেলেবেলা থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সের মানুষ সমাগ্র রয়েছেন। পরিবহন ব্যবস্থার মান ভেঙে গেলে জনগণ অর্থনৈতিক ও মানসিক ক্ষতির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।
দুর্ঘটনার প্রাণহানির কারণ খুঁজতে হবে বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা
সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি প্রতিদিন চর্চা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে যেহেতু এ প্রান্তর তৎকালীন ভয়াবহ ঘটনার জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ মৃত্যু ঘটছে। পরিবহনবিশেষজ্ঞদের অনুমান অনুযায়ী ঈদের ছুটির সময় সড়কে যানবাহন সংখ্যা ক্ষমতা থেকে বেশি হয়েছে। এ সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে মোটরসাইকেল ও বাস চালানো হচ্ছে অব্যবস্থাপনায়। তবে এ রকম অব্যবস্থার কারণে কিশোরদের বিবেচনাবিহীন মোটরসাইকেল দিয়ে সড়কে বেপরোয়া গতিতে চালানো হচ্ছে।
“সড়কে শৃঙ্খলার বিষয়টি সারা বছরের চর্চার বিষয়।” বলেছেন সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের আগের পরিচালক অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান। তিনি বলেন, পরিবহন ব্যবস্থার সংখ্যাগরিষ্ঠ গতিশীলতা ও আয়তনের কারণে আশা হচ্ছে নৈরাজ্য জিইয়ে রেখে বিপর্যয় বাড়ছে।
প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনার জন্য অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার পরিমাণে হচ্ছে। এ সমস্যার কারণে প্রতিটি দুর্ঘটনা একটি পরিবারের জন্য সীমাহীন ট্র্যাজেডি হয়ে চলছে। বিশেষত মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনার কারণে প্রায় ৪১ শতাংশ মৃত্যু ঘটে। বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সমন্বয় বিষয়টি সবার জন্য স্পষ্ট হওয়া উচিত যাতে নৈরাজ্য জিইয়ে রেখে বিপর্যয় বৃদ্ধি না পায়।
আরও দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে হবে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং সংস্কার। সড়ক সংকটের কারণে সমাজের নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে না। অধ্যাপক মো. হ
