নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল, ন র পত ত দ ত এনসিপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
ন র পত ত দ ত এনস – এনসিপি নেতা তারেক রেজাকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার জন্য ঝিনাইদহ সদর থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাঁর নামে বিষয়টি নিয়ে কিছু আসামি হওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, তারেক রেজা কিছু কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করার জন্য সাংবাদিকদের সামনে স্থান নিয়েছিলেন, যার কারণে তাঁর মামলা সংঘটিত হয়েছিল।
মামলার প্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত বিবরণ
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন ঘোষণা করেন যে তারেক রেজাকে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, তারেক রেজার নামে একটি মামলা ছিল বলে তাঁকে আইনত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সংবাদ সম্মেলনে তারেক রেজা অংশ গ্রহণের জন্য আদালতের জামিন নেওয়া হয়নি, তাই পুলিশের তরফে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
মাহফুজ হোসেন বলেন, ‘আমরা অয়ন রহমানের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তদন্ত চালাচ্ছি। এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি যে কী কারণে তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।’
তারেক রেজাকে গ্রেপ্তারের আগে সদর থানার ওসি তাঁকে সাংবাদিকদের সম্মেলনে যেতে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি সেই নিষেধ লঙ্ঘন করে সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করেন। এই ঘটনার কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর পরিবার এ বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার কারণ নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন।
এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা চলছে এবং পুলিশের বরাবর তাঁর নামে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হচ্ছে। তারেক রেজার গ্রেপ্তার পর তাঁর পরিবার দ্বারা জানানো হয় যে তিনি কোন আসামি হয়েছেন না। পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন যে তারেক রেজাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাঁর মামলার কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্ত এবং আসামি হওয়ার কারণ
ন র পত ত দ ত ঘটনার পর পুলিশের তদন্ত চলছে। তারেক রেজাকে কোন আসামি হওয়ার কারণ পুলিশ পরিচালনার সংঘটিত হয়েছিল। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের আসামি সংক্রান্ত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলেন যে তারেক রেজার আসামি সংক্রান্ত তথ্য দৃঢ় ভাবে স্থাপন করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র বলেন, ‘তারেক রেজার মামলার জন্য আমরা সঠিক প্রমাণ সংগ্রহ করছি। তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার পর এ
