নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীন কেন তা কে দায়ী করবেন
ন র শ ক ষ র থ – জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নারী শিক্ষার্থীদের সামাজিক স্থিতিশীলতা কমানোর মাধ্যমে এখনও তাদের নিরাপত্তা তৈরি করতে পারেনি। দুই ঘটনা দ্বারা স্পষ্ট হয়েছে যে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সুরক্ষার অবকাঠামো ক্ষুণ্ণ হয়েছে—একটি সড়কে এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপর একটি ঘটনায় ছাত্রীকে বাসায় ডেকে সহিংস প্রতিক্রিয়া দেখা গেল। নারী শিক্ষার্থীদের প্রতি সমাজের উপর অপরিশোধিত চিন্তা চালানো হচ্ছে যে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীন কেন তা জানা ছাড়া অন্য স্থানে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নিরাপত্তা প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনের দায়িত্ব
মঙ্গলবার রাতে একটি সড়কে এক ছাত্রীকে টেনে ঝোপে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এটি কোনো সাধারণ স্থান নয়; বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের দিনরাত চলাফেরা হয়। তাই নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপত্তা তৈরি করা হয়নি যার ফলে তারা রাতে বেরোনোর সাহস হারাচ্ছে। এ ঘটনার পর মামলা করা বা আশ্বাস দেওয়া যথেষ্ট নয়; আক্রমণকারীদের দৃঢ় শাস্তি নিশ্চিত করা আবশ্যিক।
‘ক্যাম্পাসে ধর্ষণ করে প্রক্টর কি করে সে প্রশ্ন তুলে আনা হয়েছে’—এই স্লোগান আসল কথা বোঝায় যে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য সংস্কৃতি ভাঙতে হবে। স্থানীয় অধিকারীদের কাছে তাদের দায়িত্ব আছে, কিন্তু কোথায় ছিল সেই দৃঢ়তা তা স্পষ্ট নয়।
সামাজিক আবেগ ও সংস্কৃতি ভাঙার প্রয়োজন
নারী শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ করে রাতে বেরোনোর সময় ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। এটি সমাজের একটি গুরুতর সমস্যা বোঝায় যে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীন কেন তা খুঁজে বার করা হয়নি। এখনও মনে হয় যে সমাজে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য অন্য কোনো সংস্কৃতি অনুপস্থিত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস তাদের সুরক্ষার কারণ নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে যার ফলে তাদের স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার সাহস হারাচ্ছে।
নারী শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে কোনো পরিচয় নিশ্চিত হয়নি যদিও সিসিটিভি ফুটেজ থেকে অপরাধীর চেহারা পাওয়া গেল। এটি প্রমাণ করে যে বর্তমান সংস্কৃতি নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় বিষয়টি সমাধান করতে পারেনি। ঘটনার পর সমাজে নারী শি�
