নভেরার শিল্পভুবনে সম্পর্কের গল্প
প্রদর্শনীর বৈশিষ্ট্য
নভ র র শ ল পভ বন – জাতীয় জাদুঘরে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে ছাড়াও রয়েছে ৪৩টি ফটো ও পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ করেছেন নভেরা আহমেদের শিল্পকর্ম। তিনি বিভিন্ন পরিবেশে পরিবারের ভাবনার উপস্থাপন করেছেন বেশির ভাগ কাজে সিমেন্ট ও বালু ব্যবহার করে। কিছু ছোট আকারে ব্রোঞ্জ পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রদর্শনী চলবে ২১ জুলাই পর্যন্ত। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সবার জন্য খোলা থাকবে। স্থানীয় শিল্পী ক্বাবেদুল ইসলাম এবং তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে মা দুই সন্তানের প্রতি নজর কাড়ে ভাস্কর্যটি দেখে সম্ভবত এটি তাঁদের মুগ্ধ করেছে।
পরিবারের সম্পর্কে ছবি ও ভাস্কর্য
প্রদর্শনীতে রয়েছে নভেরার ব্যবহার করা কিছু পোশাক ও সামগ্রী। এই সামগ্রী মেঝের ওপরে রাখা হয়েছে প্রদর্শনীর একটি টেবিলে। ছাড়াও আছে কক্সবাজারে সমুদ্রসৈকতের দৃশ্য, শকুন, টিয়া পাখি ও ছাগলের চিত্র। উজ্জ্বল রং ব্যবহার করে প্রদর্শনীতে পাওয়া যাবে নভেরার চিত্রকর্ম।
বেশির ভাগ ভাস্কর্যে রয়েছে দুটি অবয়ব, কিছুতে তিন বা চারটি। মা ও সন্তানের সম্পর্ক বিভিন্ন আকারে চিত্রিত হয়েছে। বিকেলে বিশেষ আয়োজন ‘গ্যালা’ হবে।
নভেরার জীবনী সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত লেখা আছে। তাঁর শিল্পকর্মগুলো তাঁদের অনেক ভালো লেগেছে।
নভেরার প্রাথমিক জীবন
নভেরা আহমেদের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২৯ মার্চ। তিনি লন্ডনের ক্যাম্বারওয়েল স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড ক্রাফটস থেকে ভাস্কর্য ও নকশা বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ করেন। পঞ্চাশের দশকে বাংলাদেশে আধুনিক ভাস্কর্যের সূচনা হয় তাঁর হাতে। তিনি ১৯৫৬ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত শতাধিক ভাস্কর্য সৃষ্টি করেন। বাংলাদেশে তাঁর প্রথম একক ভাস্কর্�
