নদীতে ভেসে যাওয়ার পর ভারতে বৃদ্ধের লাশ, শেষবার দেখার অপেক্ষায় স্বজনেরা
নদ ত ভ স য ওয় র – দিনাজপুরের বিরল উপজেলার কামদেবপুর গ্রামে বাস করতেন ইসমাইল হক (৬০), যিনি সাধারণত পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর বাড়িতে তিনি তিন মেয়ে এবং দুই ছেলের জনক হিসেবে পরিচিত। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি নদীতে প্রবেশ করেন যাতে মাছ ধরতে বের হন। তাঁর অপসন্ধ্যান নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাঁর খোঁজ নেন এবং দুই দিন ধরে তাঁকে খুঁজে বার করার প্রচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু কোনো হদিস পাওয়া যায় না।
১ মে তিনি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বিপদে পড়েন। তাঁর ছোট ছেলে হায়দার আলী বলেন, “বাবা লালমাটিয়া স্লুইসগেটের কাছে মাছ মারছিলেন। সেখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে ভারতে ঢুকে গেছে পুনর্ভবা নদী। গেটের কপাট খুলে দেওয়ায় হয়তো তিনি ভেসে যাওয়ার পর শেষবার দেখার অপেক্ষায় থাকেন।” বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার তাঁর খোঁজ নিতে সম্পূর্ণ জুন অতিবাহিত হয়। সোমবার তাঁর ছেলে হায়দার আলী সামনে এসেছেন মুঠোফোনে প্রচার করেন বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ভারতীয় টেলিভিশনে।
বাবার লাশ পরিচিত হয় সংবাদটি দেখে ইসমাইলের আত্মীয় এনামুল হক। এই খবরের আলোকে ভারতীয় গঙ্গারামপুর থানায় তিনি গিয়ে লাশটি শনাক্ত করেন। আত্মীয় হায়দার আলী বলেন, “আমরা লাশটি দেখে নিশ্চিত হয়েছি যে বাবা তাঁর চিহ্ন মেলাচ্ছন্ন করে এসেছেন। তিনি বাড়ির পাশে অবস্থিত পুনর্ভবা নদীতে অপসন্ধ্যান নিখোঁজ হন এবং তাঁর অপসন্ধ্যান সুনাম হয়।” পরিবার কিছু সময় পর নদীতে লাশটি পাওয়া হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জয়দেবপুর গ্রামে।
১ মে দুপুরে তিনি পুনর্ভবা নদীতে প্রবেশ করেন ঝাই জাল বা ফিকা জাল নিয়ে। সেদিন থেকে তাঁকে কোনো কথা কানে পৌঁছে না। পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় বিরল থানায় সাধারণ ডায়রি করেন পরিবার। এই প্রক্রিয়ার পর ফায়ার সার্ভিস নদীতে খোঁজ চালায় এবং কিছু সময় পর তাঁর বাবা তাঁর সম্পূর্ণ লাশ না পেয়ে বার্তা বা চিহ্ন কোনো কিছু বার করতে পারে না।
সুনাম হয় বাবা তাঁর লাশ ভারতে পাওয়া হয় দুই দিন পরে। এ সংবাদ আরমান নামে একজন বাসিন্দা ফেসবুকে প্রকাশ করেন ভারতীয় টেলিভিশনে সংবাদ দেখে তাঁকে জানানো হয়। এ প্রক্রিয়ায় ইসমাইলের আত্মীয় এনামুল হক পরিবারের দৃষ্টিতে নজরে পড়ে। তিনি গঙ্গারামপুর থানায়
