নতুন করে দুর্ভাবনায় ফেলছে ইবোলা ভাইরাস, আমাদের কী করণীয়
নত ন কর দ র ভ বন – নতুন করে দুর্ভাবনায় ফেলছে ইবোলা ভাইরাস, যা বর্তমানে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো ও উগান্ডায় বিস্তার লাভ করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ চিন্তার বিষয় ঘোষণা করেছে, কারণ বান্ডিবুজিও স্ট্রেন বিরুদ্ধে কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রস্তুত হয়নি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই রোগের গুরুত্ব কেন অপরিসীম হচ্ছে তা ব্যাখ্যা করেছেন, যেহেতু এটি আক্রান্ত প্রাণী থেকে মানুষের কাছে পৌঁছার পর রোগের প্রকোপ দ্রুত বৃদ্ধি হয়ে থাকে। বাংলাদেশে ইবোলার প্রাথমিক লক্ষণগুলি আসলে ম্যালেরিয়া বা টাইফয়েডের মতো মনে হতে পারে, কিন্তু রোগের উপর নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সামান্য লক্ষণ থেকে গুরুতর রক্তক্ষরণ পর্যন্ত এটি যেতে পারে।
ইবোলা ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য ও প্রবাহ
ইবোলা ভাইরাস একটি অত্যন্ত মারাত্মক এবং সংক্রামক রোগ হিসেবে শ্রেণীবিভাগ করা হয়েছে, যা বায়োসেফটি লেভেল ৪ পর্যায়ে বিবেচিত। এটি মূলত প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, যেহেতু আক্রান্ত প্রাণীর মাংস বা রক্ত থেকে ভাইরাস প্রবেশ করে। পরবর্তীতে রক্ত, লালা, বমি বা ঘামের সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে বিস্তার ঘটে। এই বান্ডিবুজিও স্ট্রেন কোনো টিকা ছাড়া স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের প্রতিরোধের জন্য নতুন করে দুর্ভাবনায় ফেলছে পূর্বের স্ট্রেন বিরুদ্ধে প্রস্তুত টিকার পরিপ্রেক্ষিতে চিন্তার বিষয়।
ইবোলা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণগুলি তীব্র জ্বর, শরীরে ব্যথা, প্রচুর বমি এবং তীব্র ক্ষুধার্ত অবস্থা হিসেবে পরিচিত। প্রথম চার দিনের মধ্যে রোগীদের ক্ষুধার্ত অবস্থা ক্রমশ গুরুতর হয়ে থাকে। অতিরিক্ত জ্বর ও রক্তক্ষরণ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা প্রাথমিক পর্যায়ে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা আবশ্যক। নতুন করে দুর্ভাবনায় ফেলছে ইবোলা ভাইরাস জন্য মানুষের স্বাস্থ্য অবস্থ
