Uncategorized

ধর্ষণ ও হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার চান ২১ বিশিষ্ট নাগরিক

২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক ধর্ষণ ও হত্যার ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার দাবি করেছেন ধর ষণ ও হত য র ন - ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে নিরপেক্ষ

Desk Uncategorized
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক ধর্ষণ ও হত্যার ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার দাবি করেছেন

ধর ষণ ও হত য র ন – ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তাঁদের মতে, নারী ও শিশুদের বৈপ্লবিক সুরক্ষা ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীদের স্থায়ী হামলা প্রতি সংগঠিত প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন।

বিবৃতিতে নির্দেশ করা হয়েছে যে গত সাত দিনে চার কন্যাশিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকারী হয়েছে। এসব ঘটনা দেশের ন্যায়বিচারের সংস্কৃতি ভেঙে পড়ার প্রমাণ বিবেচনা করে তাঁরা নির্মূল হামলার কারণে জনমনে আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

‘নিরাপত্তা, মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার। নীরবতা কখনোই দায় মুছে দিতে পারে না। অস্বীকার কোনও ভাবেই ন্যায়বিচারের বিকল্প হতে পারে না।’

বিশিষ্ট নাগরিকদের দাবিতে আইনের অপপ্রয়োগ, হয়রানি ও মব সন্ত্রাস এখন স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। সহিংসতা বৃদ্ধির সাথে সাথে ধর্ষণ ও হত্যার সম্মুখীন হওয়া কঠিন হয়ে আসছে। সম্প্রতি চলছে ধর্মের নামে ভিন্নমত দমন এবং বিচারহীনতার মধ্যে নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষ অনিশ্চিত জীবনের সামনে আছেন।

বিবৃতির স্বাক্ষরকারীদের তালিকা

বিবৃতির স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, রাশেদা কে চৌধূরী, নিজেরা করির নির্বাহী পরিচালক খুশী কবির, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি নূর মোহাম্মদ তালুকদার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা কাজল দেবনাথ।

অন্যান্য স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক এম এম আকাশ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুল্লাহ আল-মামুন চৌধুরী, চিকিৎসক লেলিন চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাহিদুল বারী, সাংস্কৃতিক সংগঠন আনন্দনের প্রধান সংগঠক এ কে আজাদ, সুরকার ও গীতিকার সেলিম রেজা, খেলাঘরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম এবং মানবাধিকারকর্মী পারভেজ হাসেম।

বিশিষ্ট নাগরিকদের দাবিতে বৃদ্ধি পেয়েছে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা। তাঁদের মতে, ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচারের দ্বারা জনগণ ন্যায়বিচারের আশায় সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিরাপত্তা ও মর্যাদা বিনষ্ট করছে বলে তাঁদের অভিযোগ।

ধর্ষণ ও হত্যার পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবৃতির মূল স্বাক্ষরকারীদের প্রতিক্রিয়া দিয়ে বাংলাদেশের ন্যায়বিচার �

Leave a Comment