ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া বন্ধ করুন: অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ
প্রতিবাদের পটভূমি
ধর ম য ফ য স ব – ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে আয়োজিত চলচ্চিত্র ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শন বন্ধ করার ঘটনার পর অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ সংস্কৃতি ও চিন্তাচেতনার স্বাধীনতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি জানান যে সরকার ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার সাথে সাথে সাম্রাজ্যবাদ ও অশ্লীল ধারণার প্রতি নীরবতার কারণে সমাজের ওপর নিপীড়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
‘আপনারা আগের সরকারগুলোর ধারাবাহিকতায় একদিকে দুর্বৃত্তকে লালন করা, সাম্রাজ্যবাদকে তোষণ করা আর অন্যদিকে নিজেদের ক্ষমতার স্বার্থে মানুষের চিন্তাচেতনা ও সক্রিয়তাবিরোধী ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া বন্ধ করুন,’ তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ
শুক্রবার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেন, বর্তমান সমাজে চলচ্চিত্র পরিচালক ও কর্মীদের চলচ্চিত্র মাধ্যমে ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী ধারণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার প্রয়োজন আছে। সমাজের মানুষের ওপর যখন বিভিন্ন ধরণের নিপীড়ন আসে, তখন এই ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী ও তাদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে চলচ্চিত্র কর্মীদের লড়াই করতে হবে। সেখানে সবার মিলিত চেষ্টা করতে হবে ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী ধারণাকে সমাপ্ত করার জন্য।
এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন বিভিন্ন চলচ্চিত্র আন্দোলনের সদস্যদের মধ্যে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ও জাতীয় চলচ্চিত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনগুলো হলো জাতীয় চলচ্চিত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ, এশিয়ান প্ল্যাটফর্ম ফর ডকুমেন্টারি প্রজেক্ট মার্কেট, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম, দৃশ্য সংগ্রহ সমিতি এবং বিভিন্ন চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠান। তারা ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীকে সমর্থন করা হারিয়ে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সংস্কৃতি ও চিন্তাচেতনার স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় সমাজে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। তাদের ক্ষমতার স্বার্থে সৃষ্টি করা মানুষের চিন্তাচেতনা ও সক্রিয়তার বিরুদ্ধে লড়াই চালানো প্রয়োজন। সরকার আগের শাসন পদ্ধতির সমান ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সাম্রাজ্যবাদ ও ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী সম্পর্কে নীরব থাকার কার
