Uncategorized

দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বড় ইবাদত

দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বড় ইবাদত দ র য গ ম ন ষ - আপন শরীরের একটি আঙুল কাটা হলে পুরো শরীরে বিপর্যয় ছড়ায়—খাবার খাওয়া বন্ধ হয়, শরীর জ্বরে আক্রান্ত

Desk Uncategorized
Published July 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বড় ইবাদত

দ র য গ ম ন ষ – আপন শরীরের একটি আঙুল কাটা হলে পুরো শরীরে বিপর্যয় ছড়ায়—খাবার খাওয়া বন্ধ হয়, শরীর জ্বরে আক্রান্ত হয়, মনোযোগ সেই অংশে ছড়িয়ে পড়ে। নবীজি (সা.) মুমিনদের পারস্পরিক প্রেম ও সহানুভূতির মূল কথা তার এই উপমা দিয়ে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, মুমিনদের ভালোবাসার উদাহরণ হলো একটি দেহের মতো, যেখানে কোনো অঙ্গ আক্রান্ত হলে সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তার সাথে মুখ মুখে সাড়া দেয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০১১)

ইমানি ভ্রাতৃত্বের সাংঘাতিক আবেদন

হাদিসবিশারদগণ নবীজির এই হাদিসে তিনটি শব্দ কাছাকাছি অর্থের প্রতিফলন করে একটি চিত্র দেখায়: ‘তারাহুম’, ‘তাওয়াদ’ এবং ‘তাআতুফ’। প্রথমটি বোঝায় অনুভূতি ছাড়া নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, দ্বিতীয়টি অন্তরে অস্থায়ী ভালোবাসার প্রতিফলন হয়। বিপদে পাশে দাঁড়ানো, খোঁজখবর নেওয়া এবং উপহার বিনিময় তার প্রতিফলন। তৃতীয়টি বোঝায় বৈষয়িক সহায়তা দেওয়া, যেমন খাদ্যের সময় পরম আশ্রয় হওয়া। (ইবনে হাজার আল-আসকালানি, ফাতহুল বারি ফি শারহি সহিহিল বুখারি, ১০/৫৪০, দারুস সালাম, রিয়াদ, ২০০০)

হাদিসে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের বিশ্বাস গৃহীত হয়েছে

দয়াশীলদের প্রতি পরম দয়াময় আল্লাহ দয়া করেন। তোমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের প্রতি দয়া করো, আসমানের অধিপতি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।

নবীজি (সা.) এই হাদিসটি সুরা বালাদের আয়াতগুলোর ব্যাখ্যায় ব্যবহার করেছেন, যেখানে সফলকাম ও পুণ্যবানদের পরিচয় দিয়ে বলা হয়েছে, দুর্ভিক্ষের দিনে খাদ্য দান করা অতি গুরুত্বপূর্ণ। প্রাচুর্যের সময়ে দান করা কেবল পুণ্য হিসেবে গণ্য হয় না, সংকটের সময়ে তা সম্পূর্ণ নীতিগত মান ছাড়া নয়।

তাফসিরকারগণ এই প্রতিবেদন সম্পর্কে বলেন, হোদাইবিয়ার সন্ধির পর মক্কায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। তখন মানুষ চামড়া ও হাড় চিবিয়ে খাচ্ছিল। আবু সুফিয়ান, যিনি তখনো ইসলাম গ্রহণ করেননি, এবং যাঁর নেতৃত্বে মুসলিমরা বছরের পর বছর নিপীড়িত হয়েছে, তিনি মদিনায় এসে নবীজি (সা.) কাছে সাহায্য চাইলেন। নবীজি (সা.) তখন মক্কার অভুক্তদের জন্য খাদ্য ও খেজুর বিতরণ করেন, যা আবু সুফিয়ান ও সাফওয়ান ইবনে উমাইয়ার মাধ্যমে বিতরণ হয়। ত্রাণের পরিমাণ ছিল পাঁচশত দিনার (স্বর্ণমুদ্�

Leave a Comment