দীর্ঘ সময় ডিজিটাল স্ক্রিনে চোখ রাখছে শিশুরা, নিয়ন্ত্রণ না করলে বড় ক্ষতির শঙ্কা
দ র ঘ সময় ড জ ট – বাংলাদেশের শিশুদের এখন প্রতিদিন মোবাইল ফোন, টিভি, ট্যাব বা কম্পিউটারে বেশি সময় ব্যয় করা হচ্ছে। এ নিয়ে মা–বাবা ও অভিভাবকদের মধ্যে একটি উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ মনে করেন এটি কেবল তাঁদের সন্তানদের সমস্যা, কিন্তু বাস্তবে এই সমস্যা সমগ্র পরিবারে ছড়িয়ে পড়েছে। অনিয়ন্ত্রিত স্ক্রিন টাইম শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতি করছে।
আন্তর্জাতিক গবেষণার ফলাফল
আইসিডিডিআরবি এবং টেলি সাইকিয়াট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্কের গবেষকদের তদন্বন অনুসারে, ঢাকার ছয়টি স্কুলে প্রায় ৪২০ জন শিশুর ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে। গবেষণার ফলাফল জার্নাল অব মেডিক্যাল ইন্টারনেট রিসার্চ এ প্রকাশিত হয়েছে। শিশুদের সাধারণত প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি সময় ডিজিটাল স্ক্রিনে বসে থাকার কারণে তাদের ঘুম কমে যাচ্ছে এবং বেশি ওজন বাড়ছে। বিশেষ করে রাতে স্ক্রিন ব্যবহার মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে ঘুমের স্বাভাবিক চক্রকে ব্যাহত করছে।
গবেষণার মূল প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পাঁচজন শিশুর মধ্যে চারজন প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন টাইম ব্যয় করে। গড়ে শিশুদের দিনে প্রায় ৪.৬ ঘণ্টা ডিজিটাল পর্দা দেখতে বসে থাকে। এর ফলে তাদের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সামান্য ঘুমের সময় কমে গেছে।
“শিশুদের বিলম্বিত ঘুম, পুনরাপীড়ন মস্তিষ্ক ব্যথা বা চোখের অস্বস্তি, অস্বাভাবিক খিটখিটে মেজাজ বা নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, বাইরের খেলাধুলার প্রতি অনীহা অথবা মনোযোগ কমে যাওয়া সমস্ত লক্ষণগুলো মা–বাবার উপেক্ষা করা উচিত নয়।”
গবেষণায় দেখা গেছে, এক তৃতীয়াংশের বেশি শিশু চোখের সমস্যায় ভুগছে। এর সাথে সাথে ৮০ শতাংশ শিশু মাথাব্যথার সমস্যায় পড়েছে। যারা দুই ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করে, তাদের ঘুমের সময় গড়ে মাত্র ৭.৩ ঘণ্টা। কিন্তু শিশুদে
