দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী করার দাবিতে রাঙামাটি জেলায় মানববন্ধন বাড়িয়েছেন সংসদ সদস্যরা
দ প ন দ ওয় নক এর পদত্যাগ বিতর্ক
দ প ন দ ওয় নক ফ – বৃহস্পতিবার রাঙামাটি জেলার সামনে মানববন্ধন এবং স্মারকলিপি প্রদানের মাধ্যমে দ প ন দ ওয় নক এর পুনরায় মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের দাবি প্রকাশ করা হয়েছে। সংসদের আসন থেকে আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও রাঙামাটি জেলার নাগরিক সমাজ নেতারা প্রতিবেদন করেছেন যে দ প ন দ ওয় নক এর ক্ষমতার ক্ষীয়মান হওয়ার পর তিনি দ্রুত পদত্যাগ করেন। এই ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে বিশেষ করে সেই ব্যানারের আওতায়।
দীপেন দেওয়ানের ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ
বাঞ্ছিতা চাকমা বলেন, “দীপেন দেওয়ান ছোট বয়স থেকে নিরপেক্ষ ছিলেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাগুলো সমাধানে উদ্যোগী হবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু তাঁর পদত্যাগ করা হয় কেবল কৌশলে।” এই দাবি অনুসারে দ প ন দ ওয় নক এর ক্ষমতার ক্ষীয়মান প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়েছে।
“দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রামের আস্থাভাজন ছিলেন। অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন—এটা কেউ বিশ্বাস করে না। তিনি সরকারের মূল বিষয়গুলো সমাধানে প্রবীণ হিসেবে কাজ করেছিলেন। আমাদের কাছে সেই ব্যক্তি সরকারের আরও দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ, যার মধ্যে আইনজীবী, শিক্ষক, সমাজকর্মী সহ অনেকে। দ প ন দ ওয় নক এর পুনরায় মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়টি চুক্তির পূর্ণ প্রয়োগ এবং পার্বত্য অঞ্চলের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বক্তারা
আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম মঈন উদ্দীন, সাবেক যুগ্ম সচিব কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা, মানবাধিকার কর্মী লুমা লুসাই, মংসুইপ্রু চৌধুরী, সমাজকর্মী মোহাম্মদ সাবের, সাংবাদিক সৈকত রঞ্জন চৌধুরী, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রণজ্যোতি চাকমা এবং হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সুজিত দেওয়ান এবং সমাজকর্মী রাবেয়া সুলতানা। তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পূর্ণ প্রয়োগের দাবি জানাচ্ছেন এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন তুলে ধরেছেন।
রাঙামাটি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বাঞ্ছিতা চাকমা বলেন, “দ প ন দ ওয় নক এর অপেক্ষার পুনরায় নিয়োগে এই অঞ্চলে সংসদ সদস্যরা জাগ্রত হয়েছেন। তাঁদের দাবি পূরণের দাবি আমরা সমর্থ
