দায়িত্ব গ্রহণের চার মাসে সরকার ঋণ নিয়েছে এক লাখ কোটি টাকা
দ য় ত ব গ রহণ র – জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন জানান যে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের চার মাসে দেশের ঋণের পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় ঋণের পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ কোটি টাকার মতো, যা এখন দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় হয়েছে এক লাখ কোটি টাকার পরিমাণ। তিনি এ সংসদে বলেন, এ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের চার মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে আটকা পড়েছে।
বাজেটে প্রশ্ন তুলে প্রতিবাদ
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বাস্তবায়নের বিষয়ে সাধারণ আলোচনায় অংশ নেয়ার সময় তিনি বলেন, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছেন। তিনি আইএমএফ ঋণ পেয়া না পাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার ব্যর্থ হলে সরকারকে জনগণের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হতে হবে।
‘আমরা যদি সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারি, গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে না পারি, সংস্কার বাস্তবায়ন করতে না পারি, তাহলে আইএমএফ ঋণ দেয়নি। অর্থনৈতিক সংস্কার না হওয়ায় আইএমএফ ঋণ দেয়নি।’
তিনি দাবি করেন যে বাজেটের দ্বিতীয় পৃষ্ঠাতে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও সামাজিক কাঠামোর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে রাজনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তা কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। তিনি সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান যে সামাজিক কাঠামো ও অর্থনৈতিক সংস্কার ছাড়া দেশের অর্থনীতি এখন ঝুপড়ির মতো।
ব্যাংকিং খাতে অরাজকতা বৃদ্ধি
আখতার হোসেন আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতে অরাজকতা চলছে। তিনি উল্লেখ করেন যে ইসলামী ব্যাংকের পাশাপাশি আরও পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে। নতুন ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। বাজেট ঘোষণার আগেই দুই দফায় দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে যার ফলে সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়।
‘সরকার বাজেট ঘোষণার আগে থেকেই জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর মেকানিজম শুরু করেছে।’
সংসদে আওয়ামী লীগ সরকারের শ্বেতপত্রের তথ্য ব্যবহার করে তিনি বলেন, সেই সময়কালে দেশ থেকে ২৪০ বিলিয়ন ডলার বাহির হয়েছে যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার সমান। তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাঠামোগত সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করেছে তিন মাসের মধ্যে দুই
