দলীয় বিদ্রোহে খাদের কিনারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
দল য় ব দ র হ খ – ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে বিপর্যয়ে পড়েছেন। তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে বিভক্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে আরও জটিল হয়ে উঠছে। সরকারের প্রধান পর্যায়ে কিয়ার স্টারমার পদে থাকবেন কি সরে দাঁড়াবেন তা নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে। সংসদের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে প্রতিকূল পরিবেশের মুখোমুখি হওয়ায় তাঁর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কৌতূহল জাগছে।
গত সোমবার সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রীদের সাথে যোগাযোগে তাঁকে পদত্যাগের পরামর্শ ও অবিশ্বাসের চিহ্ন দেখা গেছে। কিয়ার স্টারমার ক্ষমতার ধারণা করতে চাইছেন না, কিন্তু মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে ভাগ হয়ে পড়া সম্ভব হচ্ছে। তাঁদের বাস্তবতা মুখোমুখি হওয়ায় সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব আসছে।
একজন লেবার আইনপ্রণেতা বলেন, স্টারমারের ভাষণটি ছিল ‘অবিশ্বাস্য রকম বাজে’। সংক্ষিপ্ত হলেও এ মন্তব্য ছিল অত্যন্ত কঠোর। পরে স্টারমারের অন্যান্য দলীয় সহকর্মীদের কাছ থেকে যে তীব্র সমালোচনার ঢল নামে, সেটি যেন আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল এ মন্তব্য।
স্টারমার জনসমক্ষে তাঁর বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন যে পদত্যাগ করতে না পারবেন। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিভিন্ন মত অনুসারে নতুন দৃষ্টিকোণ খুঁজছেন। কিয়ার স্টারমারের জন্য মুহূর্তে প্রতিকূল হয়ে উঠা গাণিতিক হিসাব ও রাজনৈতিক পরিবেশ তাঁকে ধীর হওয়া বলে মনে হচ্ছে।
চার বছর আগে এ সপ্তাহেই বিবিসির এই প্রতিনিধি পলিটিক্যাল এডিটর হিসেবে কাজ শুরু করেন। এ চার বছরে তিনি চারজন প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন—বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক ও কিয়ার স্টারমার। সরকারের বর্তমান অস্থিতিশীলতার গভীরতা বোঝাতে বিবিসির প্রতিনিধি বলছেন, ‘২০০৭ সালে প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনকে যখন দেখি, তখন আমার বয়স ছিল ২৭ বছর। অর্থাৎ আগের ২৫ বছরে মাত্র তিনজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন—মার্গারেট থ্যাচার, জন মেজর ও টনি ব্লেয়ার।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে অস্থিতিশীলতা ও প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত বিদায় যেন এক “নতুন স্বাভাবিক” বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি বিশাল সংসদীয় স
